খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বড়দীঘিতে স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার সাধারণ মানুষের

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বড়দীঘিতে স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার সাধারণ মানুষের

চট্টগ্রামের বড়দিঘি পাড় এলাকায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে এখনো স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল। পানি কিছুটা কমলেও সড়কের ওপর এখনো জমে থাকার ফলে উত্তর চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দুইপাশে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে কিংবা স্থানীয়দের সহায়তায় সড়ক পার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, রাউজান, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি এবং পার্বত্য দুই জেলার সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই সড়কে এখনো হাঁটুসমান পানি রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পানির স্রোত বেশি থাকায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ। প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া মানুষজনকে কষ্ট করে পারাপার হতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন আটকে গেলে স্থানীয় যুবকরা স্বেচ্ছাশ্রমে সেগুলো পার করিয়ে দিচ্ছেন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, বুধবারের তুলনায় পানি কিছুটা কমেছে। পাহাড় থেকে এখনো পানি নামছে। ভারী বৃষ্টি না হলে সন্ধ্যার দিকে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।

বড়দিঘি পাড়ের এক ব্যবসায়ী জানান, গত তিনদিন ধরে কার্যত ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। দোকানে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও খাল দখলের কারণে প্রতি বছর ভারী বৃষ্টিতে একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খাল-ছড়া দখলমুক্ত করে পানি চলাচলের ব্যবস্থা করলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। এদিকে, রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অনেক যাত্রী পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। কেউ আবার যানবাহন ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পানির স্রোত থাকায় পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।