খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম তুলসীধামের রথযাত্রা তিনশ বছরের প্রাচীন, ফিরে পেতে কেন্দ্রীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম তুলসীধামের রথযাত্রা তিনশ বছরের প্রাচীন, ফিরে পেতে কেন্দ্রীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলন

শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটি। এ উপলক্ষে গতকাল নন্দনকানন তুলসীধামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঋষিধাম অধিপতি ও তুলসীধামের মোহন্ত শ্রীমৎ দেবদীপানন্দ পুরী মহারাজ ও কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি হিরন্ময় ধর।

এসময় তারা বলেন, তুলসীধামের রথযাত্রা তিনশ বছরের প্রাচীন।১৮শ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হয় রথযাত্রা উৎসব। কালের পরিক্রমায় এটি কেন্দ্রীয় রথযাত্রায় রূপ নিয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রথের পুকুর পাড় থেকে নগরের বেশকিছু রথ নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে রথপরিক্রমা হবে। তারই ধারাবাহিকতা আগামী ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার

বিকাল ৩টায় উদ্বোধন পরবর্তী নন্দনকানন রথের পুকুর পাড় থেকে কেন্দ্রীয় রথের সাথে পরিক্রমায় যোগ দেবে নগরের ১২টি আঞ্চলিক কমিটির রথসহ বিভিন্ন মঠ-মন্দিরের রথ। এর মধ্যে আছে- শ্রীকৃষ্ণায়ন এর রথ, মনোহরখালী জগন্নাথদেবের মন্দিরের রথ, মাইজপাড়ার জগন্নাথদেবের রথ, শাহাজীপাড়ার জগন্নাথদেবের রথ, ফিরিঙ্গীবাজার টেকপাড়ার রথ, এনায়েতবাজার কেদারনাথ তেওয়ারী কলোনির জগন্নাথদেবের রথ, টাইগারপাস জগন্নাথ সংঘের রথ, গঙ্গাবাড়ী শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথ, পূর্ব মাদারবাড়ীর জগন্নাথদেবের রথ, সদরঘাট জেলে পাড়ার রথ।

বক্তব্যে তারা আরও বলেন, সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ চট্টগ্রামে এই রথযাত্রা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের কেন্দ্রীয় রথযাত্রার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। তুলসীধামে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রার পর থেকে ১৫দিন ধরে চলমান রয়েছে অদ্বৈত-অচ্যুত চিকিৎসক ফোরামের চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প। তুলসীধাম মদনমোহন মন্দিরে ১৬ জুলাই চলবে পূজার্চনা। এসময় আয়োজকরা জানান, নন্দনকানন রথের পুকুর পাড়ে একসময় নগরের সবগুলো রথ এনে রাখা হতো। রথযাত্রা উপলক্ষে এখানে বসতো মেলা। তাই এলাকাটি এই নামে পরিচিতি পায়। বর্তমানে পুকুর ভরাট হয়ে সেখানে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন ও দোকানপাট। ফলে বিভিন্ন মন্দিরের রথগুলো পরিক্রমা শেষে আর সেখানে রাখা যায় না, উল্টো রথযাত্রার আগে পুনরায় মন্দির থেকে আনতে হয় রথ। সরকারের কাছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তারা।

 

১৬ জুলাই কেন্দ্রীয় রথযাত্রা রথের পুকুর পাড় থেকে শুরু হয়ে রাইফেল ক্লাব, আমতল, নিউ মার্কেট মোড়, জিপিও, কোতোয়ালীর মোড়, কোর্ট বিল্ডিং মুখ, লালদীঘির উত্তর পাড়, বক্সির বিট, আন্দরকিল্লা, জেএমসেন হল, চেরাগি পাহাড়, জামালখান মোড়, সার্সন রোড, কাজীর দেউড়ি, নেভাল এভিনিউ, লাভ লেইন, বৌদ্ধ মন্দির, নন্দনকানন ১ নম্বর গলির মুখ হয়ে তুলসীধামের সামনে পরিক্রমা শেষ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিধান ধর, অর্থ সম্পাদক সুজিত হাজারী, রথ পরিক্রমার সমন্বয়কারী শ্যামদাশ ধর, তপন ধর (টি.কে), প্রবীর দাশ, অ্যাড. সুজন কান্তি দে সহ কমিটির নেতৃবৃন্দ, শ্রীশ্রী তুলসীধাম পরিচালনা পরিষদ এবং অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন, বাংলাদেশের কর্মকর্তা ও ভক্তরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।