খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কালিয়াকৈরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান  শিক্ষক  ও  সহকারী শিক্ষকের পদশূন্যঃ  লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত 

জাহাঙ্গীর আলম শরিফ, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান  শিক্ষক  ও  সহকারী শিক্ষকের পদশূন্যঃ  লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত 

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ জন প্রধান শিক্ষক ও ২১ জন সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা হ্রাস  ও লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিদ্যালয় ঘুরে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের সংকট রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও সঠিক তদারকির অভাবে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের পার্শ্ববর্তী কেজি স্কুল ও মাদ্রাসায় ভর্তি করাচ্ছে।  অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি ওয়াল ও খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত মাঠ নেই।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় মোট ১২২ টি  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  মধ্যে এ- গ্রেডে ৭৯ টি এবং  বি- গ্রেডে ৪৩ টি বিদ্যালয় রয়েছে  । এতে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ৮৭৮ জন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সর্বমোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ হাজার ১২ জন অপরদিকে  কেজি স্কুল ও মাদ্রাসায়

 

১২ হাজার ৪১২  জন।

 

উপজেলার  নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১২২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৩ জন প্রধান শিক্ষক ও ২১ জন সহকারী শিক্ষকের  পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো হচ্ছে -টালাবহ  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  গোয়ালচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোসাইবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টানসুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গলাচিপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়ানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , অলিয়ারচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , পদ্মপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বহেরাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাকচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোথাজুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কম্বলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নামাশুলাই  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢুলিগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোটবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢোলসমুদ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁশতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গজারিয়া কাঞ্চনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেনুপুর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাধুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , কাঞ্চনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মেদুলিয়া কান্দাপাড়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুশলনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বাকাস্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভূইয়া চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হিজলহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারচালা সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মজিদচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড় গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমদাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারোবাড়িয়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চৌধুরীটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হবুয়রচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

 

অভিভাবকরা জানান, শিশু ও প্রাথমিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই । এখানে সঠিক শিক্ষা, ধর্মীয়, নৈতিক  ও চরিত্র গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে মোবাইল ফোন ও মাদকে যুবকদের পাশাপাশি শিশু- কিশোররা আসক্ত হয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসারের কঠোর নজরদারি   এবং সুষ্ঠু তদারকি  খুবই প্রয়োজন ।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার  মোঃ আব্দুল মতিন জানান, উপজেলায় ১২২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৩ জন প্রধান শিক্ষক  ও ২১ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমান সরকার অচিরেই শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিক্ষকদের আন্তরিকতা, মানবিকতা, নীতি ও নৈতিকতার মধ্যে উপকরণ ব্যবহার করে সঠিক পাঠদানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ ব্যাপারে নিয়মিত বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করছি।  বিভিন্ন এলাকার  বিদ্যালয়ের সন্নিকটে কেজি স্কুল ও মাদ্রাসা রয়েছে। ফলে গ্রামীণ পরিবেশ ও ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণে কিছু শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছেড়ে মাদ্রাসায় ভর্তি হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।