খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ছোটবেলার স্বপ্ন থেকে পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের সাফল্যের গল্প।

বি‌নোদন ডেস্ক-
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ছোটবেলার স্বপ্ন থেকে পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদের সাফল্যের গল্প।

ছোটবেলার স্বপ্ন, নিরলস পরিশ্রম ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে মেকআপ শিল্পে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তরুণ মেকআপ আর্টিস্ট নাহিদ আহমেদ।

রূপসজ্জাকে কেবল সৌন্দর্যচর্চা নয়, বরং একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশের শিল্প হিসেবে দেখেন তিনি। সেই বিশ্বাস থেকেই ধীরে ধীরে নিজেকে একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

নাহিদ আহমেদের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বা‌ড়ৈখালী ইউনিয়‌নে জন্ম মালয়েশিয়ায় হলেও ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় বড় মায়ের স্নেহে বেড়ে ওঠেন তিনি। শৈশব থেকেই সাজগোজ ও মেকআপের প্রতি ছিল তার গভীর আগ্রহ।

অন্যরা যেখানে এটিকে শখ হিসেবে দেখেছেন, সেখানে নাহিদ এটিকেই নিজের ভবিষ্যতের পেশা হিসেবে বেছে নেন। পথচলার শুরুটা সহজ ছিল না। তবে কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন এবং নতুন নতুন কৌশল শেখার আগ্রহ তাকে ধীরে ধীরে এই অঙ্গনে দক্ষ করে তোলে। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ব্রাইডাল, ফ্যাশন ও গ্ল্যামার লুক নিয়ে কাজ করে তিনি অর্জন করেছেন অভিজ্ঞতা ও সুনাম।

বর্তমানে তিনি নিয়মিত পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের তমা রশিদ ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট-২০২৬’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন নাহিদ আহমেদ।

প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তমা রশিদের সঙ্গে থাইল্যান্ডে যাওয়ার কথা থাকলেও বাবার অসুস্থতার কারণে শেষ মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব হয়নি তার। তবে দেশে অবস্থান করেই অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার প্রতিটি ধাপে মেকআপ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

তার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়। থাইল্যান্ডে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরাও তার মেকআপের প্রশংসা করেন।
নাহিদ আহমেদ বলেন, মেকআপ শুধু একজন মানুষকে সুন্দর দেখানোর বিষয় নয়; এটি তার আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্বকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প। এই শিল্পে সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং ধারাবাহিক অনুশীলনের বিকল্প নেই।

একজন শিল্পীর শেখার কোনো শেষ নেই। প্রতিনিয়ত নতুন ট্রেন্ড, নতুন প্রযুক্তি ও নতুন কৌশল আয়ত্ত করতে হয়।
ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মেকআপ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধভাবে তুলে ধরতে চান নাহিদ আহমেদ। তার প্রত্যাশা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দেশের এই শিল্পকে বিশ্বমঞ্চে আরও মর্যাদার সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।৭

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।