খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

টানা বৃষ্টিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে খানাখন্দ, দুর্ভোগ

আলমগীর হোসেন  
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে খানাখন্দ, দুর্ভোগ

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া অংশে ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চলাচলকারীরা। মহাসড়কে যানবাহনের চাকা গর্তে পড়ে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন চালক। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

 

সরেজমিনে মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ১৩ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বালুয়াকান্দি, ভাটেরচর, ভাটেরচর নতুন রাস্তা, ভিটিকান্দি, ভবেরচর ও বাউশিয়া এলাকায় মহাসড়কে ছোট বাড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ গর্তে পানি জমে আছে। এতে দুর্ভোগে পড়ছেন চলাচলকারীরা। এদিকে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পরে মহাসড়কের কয়েকটি এলাকায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

জৌনপুর পরিবহনের বাসচালক রশিদ মোল্লা বলেন, ‘গত কয়েক মাস আগে মহাসড়কে ছোট গর্ত দেখতে পাচ্ছি। তবে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে এর সংখ্যা আরও বেড়েছে এবং আগের গর্তগুলো আরও বড় হয়েছে। অধিকাংশ সময় এসব গর্তে পানি জমে থাকায় আগে থেকে চলাচল না করা চালকরা বুঝতে পারেন না রাস্তা ভালো, না কি খারাপ। গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে গেলে গাড়ি একদিকে হেলে পড়ে। এ সময় গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।’

 

প্রাইভেট কারচালক হাসিব, ও ইয়ামিন বলেন, ‘মহাসড়কের এই অংশে চলাচলে স্বস্তি নেই। খানাখন্দের কারণে অনেক ঝাঁকুনি খেতে হয়। এটা যেহেতু একটি ব্যস্ততম মহাসড়ক, কর্তৃপক্ষ যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে মহাসড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা করে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রশিদ প্রধান বলেন, ‘আমি এই পথে নিয়মিত চলাচল করি। বড় গাড়িতে উঠলে ঝাঁকুনি কিছুটা কম হয়, তবে ছোট গাড়িতে অনেক বেশি ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। আমার মতো বয়স্ক মানুষ এবং অসুস্থরা এতে আরও অসুস্থ হয়ে পরে।

 

স্থানীয় সাবেক কলিমউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার ছাত্রদলের সভাপতি নূরুল আমিন সরকার বলেন মহাসড়কের বেশ কিছু স্থানে গর্ত, এছাড়াও ব্রীজের এক্স পেনসন জয়েন্ট গুলোতে টানা বৃষ্টিতে পিচ নষ্ট হয়ে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, এতে মোটরসাইকেল সহ ছোট যানবাহ চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক না করলে দূর্ঘটনার আসংক্ষা রয়েছে।

 

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগীয় প্রকৌশলী আল রাজী বলেন, “গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। সবরকম ব্যবস্থা রয়েছে বৃষ্টি কমলেই আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঠিক করে দেব।###

১৪/০৭/২৬ইং

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।