খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জামালপুরে ঝিনাই নদীর বাঁধ রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ৫০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে​

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
জামালপুরে ঝিনাই নদীর বাঁধ রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ৫০ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগে​
জামালপুর সদর উপজেলার ১৩ নং মেষ্টা ইউনিয়নের চান্দের হাওড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর তীরবর্তী নবনির্মিত বাঁধ রাস্তাটি প্রবল বর্ষণে ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অতিবর্ষণ ও তীব্র স্রোতের কারণে রাস্তার একটি বিশাল অংশ ভেঙে যাওয়ায় ওই অঞ্চলের সাথে চারপাশের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এর ফলে আশপাশের প্রায় ৫০টি গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।​
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন জামালপুর সদর উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী মাদারগঞ্জ উপজেলার ভাটারা, ঘোষেরপাড়া, আদারভিটা ও সিধুলী ইউনিয়নসহ বিশাল একটি অঞ্চলের মানুষ যাতায়াত করতেন। রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় শত শত অটোরিকশা, ভ্যান, পণ্যবাহী ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।​
এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা জানান, এই একটিমাত্র রাস্তাই ছিল তাদের যোগাযোগের প্রধান ভরসা। রাস্তাটি ধসে যাওয়ায় এখন জরুরি প্রয়োজনেও কেউ যাতায়াত করতে পারছেন না।​ বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েছে। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না, এনজিও কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ চাকুরিজীবীদের কর্মস্থলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। মেস্টা ইউনিয়নের আলিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল এই রাস্তা। এখন হেঁটে যাওয়ারও কোনো উপায় নেই। ব্যবসায়ীরা হাটে-বাজারে মালামাল নিতে পারছেন না, পণ্য পরিবহন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়ার মতো কোনো পথ অবশিষ্ট নেই। এ বিষয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক জানান, “নতুন তৈরি করা রাস্তাটি এভাবে ভেঙে যাওয়ায় পুরো এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচলও করতে পারছে না। জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে এই বাঁধ রাস্তাটি পুনরায় সংস্কার করা প্রয়োজন।
এদিকে রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক করতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট রাস্তাটি দ্রুত টেকসইভাবে মেরামতের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।