খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে সাংবাদিকদের জন্য তিন দিনের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে সাংবাদিকদের জন্য তিন দিনের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু

প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহীতে তিন দিনব্যাপী,এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা,শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সমাজসেবা অধিদপ্তর, রাজশাহীর সভাকক্ষে কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। কর্মশালাটি চলবে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল। সাধারণ সম্পাদক মো. ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং সাংবাদিকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে তথ্যের গতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন সাংবাদিককে এখন শুধু তথ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, বরং তথ্যের সত্যতা যাচাই করেও প্রকাশ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন,এআই প্রযুক্তি সাংবাদিকতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তবে এর ব্যবহার অবশ্যই নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে করতে হবে। ফ্যাক্ট চেকিংয়ের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা জনস্বার্থে আরও নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশন করতে পারবেন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ দক্ষ, আধুনিক ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাসিক প্রশাসক বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর সেবা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। শহীদ জিয়া শিশুপার্ক এবং রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ মাংস নিশ্চিত করতে মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর সকল ড্রেনের কাদামাটি পর্যায়ক্রমে উত্তোলন করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন,সাংবাদিকদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া অপরিহার্য। এআই ব্যবহারের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠতা,পেশাগত নৈতিকতা ও তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ রাজশাহীর সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।

কর্মশালায় জানানো হয়, রাজশাহী জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেওয়াই এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।