খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাকাবে ঋণমুক্তি পেলেন ২ লাখ ৪০ হাজার কৃষক

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
রাকাবে ঋণমুক্তি পেলেন ২ লাখ ৪০ হাজার কৃষক

বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬ এর ঘোষণা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক স্বস্তি দিতে সারাদেশে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারের এ বিশেষ উদ্যোগকে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) সবার আগে সম্পন্ন করেছেন। তাদের দাবি, উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ২ লাখ ৩৯ হাজার ৪৮০টি কৃষক পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে ঋণমুক্ত করেছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য সরবরাহ করে রাকাবের জনসংযোগ সেল। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাকাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার জাহিদ বলেন, এ কার্যক্রমের মধ্যে রংপুর বিভাগের ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৫টি কৃষককে ১৭৮ কোটি ৯২ লাখ ৪৮ হাজার টাকার ঋণ এবং রাজশাহী বিভাগের ৫০ হাজার ৬৫৫টি কৃষককে ৪৬ কোটি ৮১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ঋণ সরকারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় মোট ২২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকার ঋণ সরকারের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে।

১০ হাজার টাকার ঋণমুক্ত হওয়া কয়েকজন কৃষক সরকারের এমন কার্যক্রমে আনন্দ প্রকাশ করেন। সরকারের কাছে তাদের দাবি, প্রণোদনা, ভুর্তকি প্রদানের চেয়ে কৃষকদের সেচ সমস্যা সমাধান করা দরকার। সার, বীজ ও কীটনাশকের মূল্যে লাগান টানা দরকার। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের নায্যমূল্য নির্ধারণ ও উত্তরাঞ্চলকে কৃষিতে বিশেষায়িত করার লক্ষ্যে যুগোপযুগী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের রাজশাহী জেলার সভাপতি আহমদ সফিউদ্দিন বলেন, সরকারের এমন মহতি কার্যক্রম খুবই প্রসংশনীয়। দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত হওয়ায় উপকৃত কৃষকরা নতুন করে খেত-খামারে ফিরবেন এবং নতুনভাবে কৃষিকাজে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আর্থিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

কৃষকদের এ বিশেষ সুবিধা প্রদানের জন্য রাকাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. গোলাম মরতুজা প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, কৃষকদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া এ মহৎ উদ্যোগ বাস্তবায়নে রাকাব নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। ভবিষ্যতেও কৃষিবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাকাব কৃষকদের পাশে থাকবে বলেও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।