খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে নিরাপত্তাকর্মী হত্যায় দায়েরের চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ৭

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে নিরাপত্তাকর্মী হত্যায় দায়েরের চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ৭

চট্টগ্রাম নগরীতে আবু সিদ্দিক নামের এক নিরাপত্তাকর্মী হত্যায় মামলা দায়েরের চার ঘন্টার মধ্যে এজাহারভু সাত ব্যক্তিকে আটক করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। শুক্রবার ( ১৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শেখ আহমেদ রুবেল (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৭), মনিরুজ্জামান মামুন (২৮), মো. জামাল উদ্দিন মিজান (৪৫), মো. গোলাম রব্বানী (৫৫), মো. আবুল বাশার (৩৯) এবং পেয়ার আহাম্মদ (৫৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করে মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, গত ১৫ জুলাই রাত ১০টার দিকে এজাহারভুক্ত আসামিসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে একটি গ্যারেজে প্রবেশ করে নিরাপত্তাকর্মী আবু সিদ্দিকের ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে কিল-ঘুষি ও এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে গ্যারেজে থাকা একটি রিকশার চাকার লোহার রিং দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

 

 

এ ঘটনায় শুক্রবার নিহতের স্বজন মো. আসলাম ডবলমুরিং মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে আসামিরা সেটি একটি মিনি পিকআপে তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়। মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগ ওঠেছে মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তি ও সাক্ষীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘এজাহারভুক্ত আসামিদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, এর নেপথ্যের উদ্দেশ্য এবং অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত তথ্য উঠে আসবে। এসময় মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া বলে জানান মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।