খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাওনা ফ্লাইওভারের নিচে মিনিবাস চলাচল বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়ায় দুর্ভোগে যাত্রীরা

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
মাওনা ফ্লাইওভারের নিচে মিনিবাস চলাচল বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়ায় দুর্ভোগে যাত্রীরা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে যানজট কমানোর লক্ষ্যে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মিনিবাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই বিকল্প হিসেবে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। এ সুযোগে অনেক চালক নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মাওনা চৌরাস্তা, মাস্টারবাড়ী, এমসি বাজার, জৈনা বাজারসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের বর্তমানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অটোরিকশার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আগে যেখানে মিনিবাসে তুলনামূলক কম ভাড়ায় যাতায়াত করা যেত, সেখানে এখন একই দূরত্ব অতিক্রমে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এতে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।

 

ভুক্তভোগী আক্তার হোসেন বলেন, “মাওনা চৌরাস্তা থেকে জৈনা বাজার পর্যন্ত আগে ২০ টাকা ভাড়া লাগত। এখন মিনিবাস না থাকায় সিএনজি চালকরা ৪০ টাকা নিচ্ছেন।”

 

আরেক যাত্রী জাকির মিয়া বলেন, “এমসি বাজারে যেতে আগে ১০ টাকা ভাড়া দিতাম। এখন ২০ টাকা চাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে ভ্যানে করে গন্তব্যে যাচ্ছি।”

 

মরজিনা বেগম বলেন, “মাওনা থেকে মাস্টারবাড়ি যেতে আগে ১০ টাকা ভাড়া ছিল। এখন একই পথে ২০ টাকা দিতে হচ্ছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে।”

 

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। মিনিবাস চলাচল বন্ধ হওয়ার পর তাদের বড় একটি অংশকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

এ বিষয়ে মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, ফ্লাইওভারের নিচে যানজট নিরসনের স্বার্থে মিনিবাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে যাত্রীরা বর্তমানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অটোরিকশায় চলাচল করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রোধে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

স্থানীয়দের মতে, যানজট নিরসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত নিশ্চিত করতে কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।