খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে – কৃষি মন্ত্রী

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে – কৃষি মন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক কার্ডের পাইলট কর্মসূচিতে চলতি বছরে ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আজ বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের মধ্যম কচুয়াই ব্লকে কৃষক কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। এর ফলে দেশের কৃষি খাতের একটি সমন্বিত ও আধুনিক তথ্যভান্ডার গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে কৃষি পরিকল্পনা ও সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, গতকাল(১৬ জুলাই ২০২৬) থেকে দেশব্যাপী কৃষক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিবন্ধনের তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত হচ্ছে এবং কন্ট্রোল রুম থেকে তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমানে (আজ দুপুর পর্যন্ত ) প্রায় ৪৫ হাজার কৃষক নিবন্ধিত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ড কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকের জন্য নয়; দেশের সব কৃষকই পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন। কৃষকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজারের চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতেই সরকার কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

 

তিনি বলেন, দেশে বড়, মাঝারি, ক্ষুদ্র, ছোট, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিসহ বিভিন্ন শ্রেণির কৃষক রয়েছেন। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের পূর্ণাঙ্গ তথ্যভান্ডার তৈরি করা হবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি শ্রেণির কৃষকের জন্য আলাদা প্রকল্প ও সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী তারা সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজে পেতে পারেন।

 

কৃষি মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক মানুষকে উৎপাদনে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো পৌঁছে দেওয়া। বড় কৃষকরা যাতে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা পান এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাও প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা লাভ করেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে কৃষক যেন তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যে উৎপাদন ও বাজারের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় করা হবে।

 

মন্ত্রী বলেন, কোন এলাকায় কোন ফসল সবচেয়ে ভালো উৎপাদিত হয়, কৃষক কার্ডের তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে তা নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষজ্ঞ কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে উৎপাদনের মান উন্নয়ন, রোগবালাই দমন এবং ফলন বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এতে উৎপাদনের অপচয় কমবে এবং কৃষক লাভবান হবেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম,

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো: বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো: আনোয়ার হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পাটিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানুর রহমান-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।