খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে এপেক্স বাংলাদেশের মৌসুমী ফল ও গাছের চারা বিতরণ

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে এপেক্স বাংলাদেশের মৌসুমী ফল ও গাছের চারা বিতরণ

দেশের সামাজিক অঙ্গনে অসহায় মানুষের পাশে থেকে গৌরবের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন সামাজিক সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশ। তারা আজ সন্ধ্যায় গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ’ কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মৌসুমী ফল ও গাছের চারা বিতরণ করেন।

বিতরণ পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল সভাপতি অধ্যাপক এস কে দত্ত অনুপ। তিনি প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি পরীক্ষার্থী

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি ব্রেইম পদ্ধতিতে মানপত্র পাঠ করার পর হাতে তুলে দিলে । সেটি মাথায় নিয়ে সবাইকে প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি দান অনুদানের পরিচালিত ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জীবন জীবিকার কথা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের কথা সময় সুযোগে যথাস্থানে উপস্থাপন করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিজিএফ মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক মো. বায়জিদ খান।
অবহিত করেন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জীবন জীবিকা পরিচালনায় হিমসিম খাচ্ছেন এমন দৈন্যদশার কথা ও তোলে ধরেন তিনি।
তার বক্তব্য শুনে গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন এপেক্স বাংলাদেশের উপস্থিত সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালক এপেক্সিয়াল জ্ঞানেন্দ্র ধর রুমু, জাতীয় সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান, সাবেক জাতীয় সভাপতি রুহুল মইন চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেস ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া, পিজিজি -৪ জাহাঙ্গীর আলম জিএম মোশাররফ হোসেন, আবু হানিফ তুহিন, ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর -৪ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন আরফাজ, এপেক্স ক্লাব অব সাউথ সুরমার সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র চন্দ্র মল্লিক।
প্রধান অতিথির হতে মানপত্র তুলে দেন গ্রীণ ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ’র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রকিব আলী খান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিজিএফ এর
কম্পিউটার অপারেটর তাজকিরা জান্নাত সুইটি, ব্রেইল শিক্ষক সমিরঞ্জন দাশ , অভিভাবক আব্দুল কুদ্দুস তালুকদার শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি, রেশমা আক্তার রিয়া,অহনা বেগম,রাদিয়া জান্নাত তালুকদার,জুই রানি দাশ,আফসানা আক্তার মুন্নি। তোফায়েল আহমেদ সোয়েব
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সম্মানে দেশাত্মবোধ ও সিলেটের আঞ্চলিক গান পরিবেশন করে প্রতিষ্ঠানের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।