খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মন্ত্রীর নির্দেশে পরিবেশবান্ধব নাসিরের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করলো পরিবেশ অধিদপ্তর

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
মন্ত্রীর নির্দেশে পরিবেশবান্ধব নাসিরের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করলো পরিবেশ অধিদপ্তর

নীরবে পরিবেশ সংরক্ষণে প্রশংসনীয় ভূমিকার অধিকারী বিয়ানীবাজারের সেই নাসির উদ্দিনের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করে উপহার দিলো পরিবেশ অধিদপ্তর।

সরকারের নজরে পড়েছে সিলেটের বিয়ানীবাজারের নাসির উদ্দিনের পরিবেশবান্ধব কর্মকান্ড। দেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত “নীরবে কাজ করছেন নাসির” শীর্ষক সংবাদ তথ্য অধিদফতরের প্রেস ক্লিপিংসের মাধ্যমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেন।

তার নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ জুলাই (শনিবার) পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল পরিবেশ সংরক্ষণে নীরব প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখায় পরিবেশবান্ধব নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং তাকে সৌজন্য উপহার প্রদান দেন।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবু বকর ছিদ্দিকী, পরিদর্শক মো. মামুনুর রশিদ এবং প্রসেস সার্ভার মনিরুজ্জামান।
এ সময় তাঁরা নাসির উদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন এবং তাঁর পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন।
নাসির উদ্দিন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের পাঁচ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

পরিবেশ সংরক্ষণে নিরবে কর্মযজ্ঞ যেন তার প্রতিদিনের ঘটনা এমনটাই যেন স্থানীয় জনতা।

তথ্য অধিদপ্তর জানায়, নাসির উদ্দিনের বিষয়টি তথ্য অধিদফতরের প্রেস ক্লিপিংসের মাধ্যমে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ প্রদান করেন। পরিদর্শনকালে গ্রামের রাস্তাঘাটে কোনো আবর্জনা কিংবা গবাদি পশুর মলমূত্র চোখে পড়েনি, যা তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা তাঁর এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল জানান, নাসির উদ্দিন প্রতিদিন ফজরের নামাজ আদায়ের পর গ্রামের রাস্তাঘাট, নালা-নর্দমা ও ছড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে পড়েন। বৃষ্টি, ঝড় কিংবা বৈরী আবহাওয়াও তাঁকে এ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারে না। দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টায় গ্রাম পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি তাঁর দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

গ্রামের মুরব্বীরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।