খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল মানেই একটি নিরাপদ হাসপাতাল : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল মানেই একটি নিরাপদ হাসপাতাল : চসিক মেয়র

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত হাসপাতাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্য এপিক হেলথ কেয়ার লিমিটেড চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিপুলসংখ্যক আধুনিক ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব ডা. শাহাদাত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, “একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল মানেই একটি নিরাপদ হাসপাতাল। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এপিক হেলথ কেয়ারের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন। তিনি জানান, “হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা রোগী, স্বজন এবং স্বাস্থ্যকর্মী—সবার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে ডাস্টবিন বিতরণের এই উদ্যোগ হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে। জনকল্যাণে তাদের এই সহযোগিতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, নাক, কান ও গলা (ENT) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুরুল করিম, ডা. ইয়াসিন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ডা. মোহাম্মদ সামিয়ুল করিম, হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

 

 

এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব টি. এম. হান্নান, ডিরেক্টর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ডিরেক্টর অপারেশনস ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, ডিজিএম সৌমেন পালিত, ডিজিএম সুমণ রঞ্জন ভৌমিক এবং ডিজিএম আমিরুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল শুধু রোগী ও স্বজনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে না, বরং সংক্রমণ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এপিক হেলথ কেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি সমাজের সার্বিক কল্যাণে অবদান রাখা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার। জনস্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।