খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আমরা সবাইকে নিয়ে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
আমরা সবাইকে নিয়ে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বন্যাদুর্গত প্রতিবন্ধী দুইশত জন মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছেন। শুধু বরাদ্দ অনুমোদনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যেও নিজে উপস্থিত থেকে তাঁদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে নগরের লালখানবাজারস্থ শহীদ নগর সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বন্যাদুর্গত প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

 

 

এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) সামাজিক সেবামূলক সংস্থা ডিজএ্যাবল্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (ডিডিআরসি)-এর নির্বাহী পরিচালক শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন।আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বন্যায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু ও যুবকদের অনেকেই সাধারণ ত্রাণকেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে খাদ্য সংগ্রহ করতে পারছেন না। তাঁদের জন্য জরুরি খাদ্যসহায়তার প্রয়োজন রয়েছে। আবেদন পাওয়ার পরপরই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি নিজেও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত নেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন শিশু, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী মানুষ। তাই তাঁদের বিষয়ে আবেদন পাওয়ার পর তিনি মনে করেছেন, দেরি না করে দ্রুত তাঁদের পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসনের দায়িত্ব।

 

 

তিনি বলেন, গত কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি, পুলিশ, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করেছে। সম্মিলিত এই প্রচেষ্টার ফলেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “আমরা সবাইকে নিয়ে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের বাদ দিয়ে কখনোই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়া সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের প্রতিটি সেবায় তাঁদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ডিডিআরসির নির্বাহী পরিচালক শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ বলেন, আবেদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসক সঙ্গে সঙ্গেই সহায়তার আশ্বাস দেন এবং ব্যস্ততার মধ্যেও নিজে উপস্থিত হয়ে ত্রাণ বিতরণ করেন। মানুষের কল্যাণে তাঁর আন্তরিকতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বিতরণ করা ২০০টি ত্রাণ প্যাকেটের প্রতিটিতে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার ভোজ্যতেল, ২ কেজি চিড়া, ১ কেজি চিনি, ফ্যামিলি সাইজ বিস্কুট, ৫ লিটার বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি, লাইটার, ওরস্যালাইন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।