খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষা নয়, জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ এলাকাবাসীর

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষা নয়, জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণ এলাকাবাসীর

অপরিকল্পিত শিল্পায়নের কারণে পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে রয়েছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার দক্ষিণ ধনুয়া নয়নপুর এলাকার বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুম এলেই সড়ক ডুবে যায়, পানি ঢুকে পড়ে বসতবাড়িতে। বছরের পর বছর ভোগান্তির পর সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে এবার নিজেদের অর্থায়নে প্রায় এক হাজার ফুট ড্রেন নির্মাণে নেমেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নয়নপুর হানু মার্কেট থেকে ডেকো গার্মেন্টস পর্যন্ত এলাকায় ডেকো গার্মেন্টস, মেঘনা গ্রুপসহ অন্তত ১০ থেকে ১২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় সামান্য বৃষ্টিতেই নিচু এলাকায় পানি জমে সড়ক ও বসতবাড়িতে ঢুকে পড়ে। এতে প্রতিদিন কয়েক হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন।
দীর্ঘদিনের এ সমস্যা সমাধানে সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবারের সদস্যরা নিজস্ব অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, সরকারি উদ্যোগে মাওনা-ধনুয়া আঞ্চলিক সড়কের প্রায় চার কিলোমিটার অংশের সংস্কারকাজ শেষ হয়ে গেলে পরে ড্রেন নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দা লিংকন বলেন, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় মানুষের চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছিল। এলাকায় স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসা থাকায় জনস্বার্থে সবাই মিলে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শ্রী রবিদাস বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ে। বহুবার ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী নিজেদের অর্থায়নে ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।
কাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়; পুরো এলাকার মানুষের স্বার্থে নেওয়া একটি সামাজিক উদ্যোগ। ড্রেন নির্মাণ শেষ হলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমে আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ মল্লিক বলেন, অপরিকল্পিত শিল্পায়নের কারণে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ সংকুচিত হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ আরিফুল ইসলাম সরকার বলেন, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর উদ্যোগে সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে। তবে সড়কের ঢালাই শেষ হয়ে গেলে ড্রেন নির্মাণের সুযোগ থাকবে না। তাই এলাকাবাসীর এ উদ্যোগ সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক।
শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ বলেন, এলাকাটি পরিদর্শনে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা জরুরি বলে মনে হয়েছে। তবে কাজ শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে আরও ভালো হতো। এলাকাবাসীকে আবেদন করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি বিধি অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এ উদ্যোগে সহযোগিতা করলে দক্ষিণ ধনুয়া নয়নপুর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।