খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রশাসকদের সমন্বিত উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন গতি: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের ফলে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে নতুন কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ মোকাবিলায় চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর। তাই এডিস মশার লার্ভার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের আন্তরিকতা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।

মীর শাহে আলম বলেন, নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্মাণাধীন ভবন এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

তিনি বিশেষভাবে নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও ফলপ্রসূ করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় জানানো হয়, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে জাতীয় কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক কার্যক্রম তদারকির লক্ষ্যে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নির্মাণাধীন ভবনসহ সম্ভাব্য প্রজননস্থলে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সভায় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি সভায় অংশ নেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন বিভাগের যুগ্মসচিব মোঃ রবিউল ইসলাম এবং ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।