খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রিপন ও দেলোয়ার হত্যায় জড়িত নয় বলে শ্রমিক সভাপতি মইনুল সহ৪ জন কে অব্যাহতি

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রিপন ও দেলোয়ার হত্যায় জড়িত নয় বলে শ্রমিক সভাপতি মইনুল সহ৪ জন কে অব্যাহতি

সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মারামারি ও পরে আহত ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা থেকে চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ।

মামলা দায়েরের পর আদালত থেকে মামলা থেকে তুলে এনে থানায় নতুন করে পরিবহন সভাপতি সহ নেতাদের আসামি করে মামলা দায়েরের পর পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সভা ডেকে পুলিশ কমিশনার বরাবরের স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী কথা দেন ঘটনায় জড়িত নয় এমন কাউকে মামলায় আসামি করা হবে না । হয়রানি ও করা হবে না। জড়িত না থাকলে অব্যাহতি দেওয়া হবে মামলা থেকে। এ ঘোষণার কারণেই পরিবহন শ্রমিক নেতারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ডাকা আন্দোলন স্থগিত করেন।

জানা যায়, চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল সিলেট-জগন্নাথপুর রুটের বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে৷ কদমতলিস্থ বাস টার্মিনালে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মূলত জগন্নাথপুর বাস মালিক সমিতির শাহজাহান কাউন্টার জবর দখল করতে আসলে সংঘর্ষ বৃহৎ আকার ধারণ করে।

এসময় ভাঙচুর করা হয় বাস ও টিকিট কাউন্টার। আহতদের মধ্যে বাস হেলপার রিপন আহমদ ও চালক দেলওয়ার হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে হাসপাতালে মারা যান।

ঘটনার পর রিপন আহমদের বাবা ছাবলু মিয়া ও নিহত দেলওয়ার হোসেনের বাবা আজির উদ্দিন পৃথক দুটি হত্যা মামলায়
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামছুল হক মানিক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মিয়া, শ্রমিক আব্দুল বাছিত বাছা সহ শ্রমিক সহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

শ্রমিক রিপন হত্যা মামলায় সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় গত ১০ জুন দক্ষিণ সুরমা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মফিজুর রহমান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩এ ধারায় আদালতে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে মামলার প্রধান আসামি শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি ময়নুল ইসলাম, দ্বিতীয় আসামি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, ষষ্ঠ আসামি আব্দুস শহিদ এবং সপ্তম আসামি সামসুল হক মানিককে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। প্রতিবেদনটি অগ্রবর্তী করেন দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ উজ্জামান।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মফিজুর রহমান বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট চারজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। তারা পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। কমিশনারের নির্দেশে তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে আদালতে অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়টি বাদিকেও অবহিত করা হয়।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ উজ্জামান এ প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংঘর্ষের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রিপনের পিতা গোলাপগঞ্জ উপজেলার রনকেলী এলাকার ছাবলু মিয়া (৫৯)।কথা বলা হয় তার সাথে এ প্রতিবেদকের তিনি জানান , ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আহত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি মামলা করেছিলেন আদালতে । ওই মামলা তিনি পরে উত্তোলন করেছেন। নতুন করে থানায় দেয়া মামলায় আগের আসামিদের পাশাপাশি যুক্ত করেছেন আরো নাম ।তবে মুখে বলতে পারেননি নতুন আসামির নামগুলো মামলার বাদি দিনমজুর ছাবলু মিয়া। বলেন কাগজে লেখা আছে । মামলার বিষয়ে প্রথম প্রশ্ন করার পর কিছুক্ষণ কথা বলে লাইন কেটে দেন তখন ট্রাই করে দেখা যায় ওয়েটিং এ। পরে আবার কথা বলেন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে।

মামলার আরেক বাদি বিয়ানীবাজারউপজেলার বাঘবাড়ি এলাকার নিহত দেলোয়ারের পিতা আজির উদ্দিন কে মামলার এজাহারে দেয়া 013441245 70 নাম্বারে কল দিয়ে পাওয়া যায়নি। কথা হয় দেলোয়ারের ভাই সিএনজি চালক আনোয়ার হোসেনের সাথে । মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুই জানেনা তিনি । বলেন বাবা মামলার বাদী।

“প্রভাব, নাকি প্রমাণের অভাব? সিলেটে জোড়া খুনের আসামি শ্রমিক নেতাদের অব্যাহতির সুপারিশ” সংবাদ সংক্রান্তে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পষ্টীকরণ ::

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে “প্রভাব, নাকি প্রমাণের অভাব?সিলেটে জোড়া খুনের আসামি শ্রমিক নেতাদের অব্যাহতির সুপারিশ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কয়েকজন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে মর্মে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বক্তব্য নিম্নরূপ:

গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. আনুমানিক বিকেল ৪.০০ ঘটিকার সময় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী বাস টার্মিনালে অবস্থিত সিলেট জেলা মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে সংঘটিত উত্তেজনা ও মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৬ মে ২০২৬ খ্রি. দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা নং-০৬, তারিখ-০৬/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা-১৪৭/১৪৮/১৪৯/৩২৩/৩২৫/৩০২/৪২৭/১১৪/৩৪ পেনাল কোড, জিআর নং-৯৩/২০২৬ রুজু হয়। উক্ত মামলায় ২৯ জন এজাহারনামীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়। মামলা রুজুর পর থেকেই দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও আইনানুগভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

তদন্তকালে এজাহারনামীয় কয়েকজন আসামি ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনার সহিত কোনভাবেই জড়িত নয় মর্মে মাননীয় পুলিশ কমিশনার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ বরাবর আবেদন করেন। ফৌজদারি কার্যবিধির 173A ধারার বিধান অনুযায়ী তাদের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদেরকে অব্যাহতির আবেদন জানান।

তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক মামলার সার্বিক তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ, পারিপার্শ্বিকতা এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে এজাহারনামীয় ১নং আসামি মইনুল ইসলাম, ২নং আসামি আলী আকবর রাজন, ৬নং আসামি আব্দুস শহীদ এবং ৭নং আসামি শামসুল হক মানিকের ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিতি বা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবস্থানও ঘটনাস্থল থেকে ভিন্ন স্থানে ছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্তাধীন অবস্থায় প্রাপ্ত তথ্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করে উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ না পাওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির 173A ধারার বিধান অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

এখানে স্পষ্ট করা প্রয়োজন যে, উক্ত আসামিদের চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। পরবর্তী তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগভাবে তাদের নাম চূড়ান্ত পুলিশ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রভাবের প্রতি পক্ষপাত না করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি না করা—উভয় বিষয়ই পুলিশের তদন্ত কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সুতরাং, মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট আসামিদের চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই পূর্বক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য সকলকে আন্তরিকভাবে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মামলায় সকল প্রকার তদন্ত শেষে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনায় জড়িত নয় পরিবহন শ্রমিক নেতা ৪ আসামীর নাম বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দেয় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ।
পরবর্তীতে একটি মহল প্রশ্ন তুলে এটি নিয়ে । তাদের পুলিশের কাছে নাম বাদ দেয়ার বিষয় শ্রমিক নেতাদের প্রভাব নাকি তথ্য প্রমাণের অভাব? এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয় কয়েকটি মিডিয়ায়। যার বিপরীতে প্রতিবাদ সভা
করে পরিবহন শ্রমিক নেতারা। হুঁশিয়ারি দেয় এ ধরনের মূলক সংবাদ থেকে বিরত থাকার জন্য। অন্যতায় আইনি ব্যবস্থা নেয়ার। এতে প্রমাণিত হয় একটি গোষ্ঠী যেহেতু পুলিশের প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। শ্রমিক নেতাদের নাম্বার দেয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না । সেহেতু প্রতিমান যে, আদালতের মামলা প্রত্যাহার করে থানায় দেয়া মামলায় নতুন আসামী হিসেবে শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সহ নেতাদের নাম যুক্ত করা ছিল পরিকল্পিত ও প্রতিহিংসার বশীভূত মাত্র। যাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন না হওয়ায় আজ পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলছে তারা এমটাই অনেকের ধারনা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।