খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গজারিয়ায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান

গজারিয়া ( মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সেবার মান,বৈধ লাইসেন্স  ও প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম যাচাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (২৫জুলাই)সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক ক্লিনিককে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে সিলগালা, গজারিয়া পপুলার হাসপাত ও ডায়গনিস্টিক ক্লিনিককে সাময়িক ভাবে বন্ধ, আরও দুটি ক্লিনিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সাজেদা বেগম এর তত্ত্বাবধানে অভিযানে নেতৃত্ব অভিযানে নির্বাহী মাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শারমিন আহমেদ তিথী,জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ নুসরাত ফারজানা খান,উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ফারহানা খানম।

অভিযানে ৬টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয় এর মধ্যে
নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সিলগালা করা হয়। ভবেরচর ইউনিয়নের গজারিয়া পপুলার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সাময়িক ভাবে বন্ধ, ভবেরচর জেনারেল হাসপাতালে এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে তিন হাজার টাকা এবং জামালদী বাসষ্টান্ড এলাকায় হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
এসময় জামালদী এলাকায় অবস্থিত শুকরিয়া ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল ও মেঘনা ডায়াগনস্টিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এর সেবা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন অভিযানের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযান শেষে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ সাজেদা বেগম বলেন,স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা, বৈধ লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার সামগ্রিক মান যাচাইয়ের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাফসা নাদিয়া বলেন,জনস্বার্থে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির আওতায় আনা হবে।লাইসেন্স বিহীন
কিংবা অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।