খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাগুরায় জমি দখলের অভিযোগ,গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি

সোহেল রানা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
মাগুরায় জমি দখলের অভিযোগ,গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি

মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা জোতপাড়া গ্রামে জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় প্রাণনাশের হুমকি এবং ক্ষতিসাধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ আলম মিয়া (৫০) মাগুরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইছাখাদা জোতপাড়ার বাসিন্দা মোঃ আলম মিয়া দাবি করেন, মাগুরা সদর উপজেলার ৭৩ নম্বর ইছাখাদা মৌজার হাল খতিয়ান নং-২৪১, হাল দাগ নং-৩২১-এর ৭৯ শতক জমির মালিক তিনি। এছাড়া দলিল সূত্রে তিনি মোট ১ একর ৮৩ শতক জমির মালিক, যার মধ্যে বর্তমানে ৯১.৫০ শতক জমি তার ভোগদখলে রয়েছে। এর মধ্যে দাগ নং-৩২১-এর ৪২ শতক এবং দাগ নং-২৮৯-এর ২০ শতক জমি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, দলিল অনুযায়ী তিনি এখনও অতিরিক্ত ২৯.৫০ শতক জমি পাওয়ার অধিকারী। তিনি দাবি করেন, তার পিতা মৃত ইউনুচ মিয়া জীবিত অবস্থায় রেজিস্ট্রির মাধ্যমে এসব জমি তার নামে হস্তান্তর করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একই গ্রামের রফিক মিয়া, সিরাজ মিয়া, চৌধুরী মিয়া ও রনি মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে ওই জমি দখলের চেষ্টা করে আসছেন। সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৫০ মিনিটে অভিযুক্তরা জমিতে থাকা আম ও কলাগাছ কেটে ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করেন। এ সময় আলম মিয়া বাধা দিলে তাকে প্রাণনাশ ও খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, এ বিষয়ে এর আগেও থানায় অভিযোগ করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করছেন তিনি।
এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সিরাজ মিয়া মোবাইল ফোনে বলেন, “জমিটি আমাদের। আমরা গাছ কেটেছি।”
তবে জমির মালিকানা ও অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।