খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মহানগরবাসীর নিরাপত্তায় আরএমপিকে রাসিকের ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা হস্তান্তর

রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
মহানগরবাসীর নিরাপত্তায় আরএমপিকে রাসিকের ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা হস্তান্তর

রাজশাহী মহানগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ দমন, যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটালি সিকিউরড সিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) এর পক্ষ থেকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে (আরএমপি) ১৫৫টি অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে আরএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যামেরা হস্তান্তর করা হয়। আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের হাতে ক্যামেরাগুলো তুলে দেন রাসিকের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।

অনুষ্ঠানে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুশাসন বাস্তবায়ন ও নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে আমরা কাজ করতে চাই। নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা প্রদান করা হলো। নিরাপদ ও শান্তির মহানগরী গড়তে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাব। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আরএমপিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে।”

আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির বলেন, “নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণে রাসিক প্রদত্ত অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরাগুলো প্রিভেনটিভ ও ডিটেকটিভ পুলিশিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন করে নগরীর ১৫৫টি স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে আরও নিরাপদ ও যানজটমুক্ত নগরী গড়ার ক্ষেত্রে রাজশাহী আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।” এ সময় ক্যামেরা প্রদান করায় তিনি রাসিক প্রশাসকের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

অনুষ্ঠানে রাসিকের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান সুইট সহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরএমপির পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (মতিহার) মাইনুল ইসলাম, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি) মো. আবুল কালাম সাহিদ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান।

উল্লেখ্য, রাজশাহী মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানগুলোতে এসব আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বৃদ্ধি, অপরাধ প্রতিরোধ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ আরও কার্যকর হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।