খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাধবপুরে সুরমা চা বাগান এলাকায় ডাকাতি ঘটনায় মূল হোতা ডাকাত সর্দারসহ ৬ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
মাধবপুরে সুরমা চা বাগান এলাকায় ডাকাতি ঘটনায় মূল হোতা ডাকাত সর্দারসহ ৬ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক

 হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান এলাকায় ডাকাতি ঘটনায় ডাকাতি মূল হোতা সর্দার আমির হোসেন সহ ৬ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন । আটককৃত ডাকাত দল কে কারাগারে প্রেরন করেছে থানা পুলিশ। জানাযায় , ১৮ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টা দিকে উপজেলার সুরমা চা বাগান এলাকায় সড়কের মধ্যে সংঘবদ্ধ দল মুখোশধারী দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি চেষ্টা চালালে নোহা গাড়ি চালক ও ব্যবস্থাপক আহত হয়। থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় , ন্যাশনাল টি কোম্পানি সরকারি মালিকানাধীন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন , বাগান অফিস হেডক্লার্ক আই এ , পিএফ ক্লার্ক আব্দুল ওয়াহিদ চৌধুরী , আলম বাবু,সহ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল চা কোম্পানি কাজ শেষে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ফেরার পথে শ্রীমঙ্গল হতে একটি নোহা গাড়ি ভাড়া নিয়ে সুরমা চা বাগান এলাকায় পৌঁছামাত্র একদল ডাকাত মুখোশধারী ডাকাত দল সড়কের মধ্যে উৎপেতে বসে থাকা অবস্থায় নোহা গাড়ি টিকে আটক করে হানা দেয় । এসময় গাড়ির চালক মোঃ শাহীন মিয়া মিয়া কে গাড়ি থেকে টানাহেঁচড়া করে নামিয়ে নিয়ে যায় গভীর চা গাছের ভেতরে নিয়ে চালকের মুখ , হাত ও পা বেঁধে মাটিতে ফেলে রাখে। এ ঘটনার দৃশ্য দেখে চালককে বাঁচানোর জন্য চা বাগান ব্যবস্থাকের কাছে ব্যবহৃত আমর্স ছিল না এবং সরকারি গাড়ি না থাকায় শ্রীমঙ্গল হতে একটি ভাড়া করা নোহা গাড়ি নিয়ে আসে। এ সুযোগ পেয়ে মূল হোতা ডাকাত সর্দার আমির হোসেন এর নেতৃত্বে তার সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্য কে নিয়ে নোহা গাড়ি চালক মোঃ শাহীন মিয়া কে ছুরিকাঘাত করে নোহা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাবার সময় ব্যবস্থাপক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনির হাতে থাকা ওয়াকিটকি দিয়ে ডাকাতের সর্দার মূল হোতা আমির হোসেন কে মাথায় নিক্ষেপ করার সাথে সাথে মাটিতে লুটে পড়ে আহত হলে তার সক্রিয় ডাকাত দলের সদস্যরা ছিটকে পড়ে পালিয়ে যায় । মূল হোতা ডাকাত সর্দার আমির হোসেন কে আটক করে এবং বাগান ব্যবস্থাপক এর ব্যবহৃত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছুরিকাঘাত আহত নোহা গাড়ি চালক মোঃ শাহীন মিয়া কে ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় । এঘটনার বিষয় টি তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা ও তেলিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খবর দিলে থানার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ডাকাতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আহতদের কাছ থেকে জবানবন্দি নেন। অপরদিকে আটককৃত ডাকাত সর্দার আমির হোসেন কে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ । পরের দিন ১৯ জুলাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে ৬ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্যদেরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। থানা পুলিশ ৭ জন ডাকাত কে কোর্টে প্রেরন করে এবং থানা পুলিশ বাদী হয়ে ৭ ডাকাতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে ৭ জন ডাকাত কারাগারে রয়েছে । এ সাহসী পদক্ষেপ ভূমিকা নিয়ে ডাকাতের মূল হোতা সর্দার আমির হোসেন কে আটক করায় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটনকে সাধুবাদ জানান এলাকাবাসী।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।