খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পটুয়াখালির নুরুদ্দীন আফসারীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালির নুরুদ্দীন আফসারীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মিথ্যা মামলার অভিযোগ।

পটুয়াখালীর একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে নুরুদ্দীন আফসারী নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা, জমি দখল, চুরি, মিথ্যা মামলা দায়ের এবং বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে তিনি এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ বলেন, সম্প্রতি নুরুদ্দীন আফসারী তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এর জবাবে তিনি দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ঘটনা ও অভিযোগ জনসম্মুখে তুলে ধরছেন।

লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, নুরুদ্দীন আফসারীর বাবা, প্রয়াত অধ্যক্ষ মাওলানা মহিউদ্দিন আফসারী বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলেন। পরে সেই টাকা ফেরত না দেওয়ায় মানবিক কারণে তিনি নিজেই প্রায় ৪ লাখ ৬৬ হাজার ১৯০ টাকা পরিশোধ করেছেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নুরুদ্দীন আফসারী ২০২৪ সালের ৬ জুলাই তার কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে তাকে লাঞ্ছিত এবং এক কর্মচারীকে মারধর করা হয়।

অধ্যক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই তার অনুপস্থিতিতে নুরুদ্দীন আফসারী মাদ্রাসার অফিসে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, প্যাড ও বিদ্যুতের তার নিয়ে যান। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, এতিমখানার নামে থাকা জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল, গাছ বিক্রির অর্থ আত্মসাৎ এবং সরকারি ত্রাণের চাল বরাদ্দ এনে আত্মসাতের মতো ঘটনাও ঘটিয়েছেন নুরুদ্দীন আফসারী।

অধ্যক্ষ দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে নুরুদ্দীন আফসারী বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ৩০ থেকে ৩৫টি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। একইভাবে মাদ্রাসার এক কর্মচারীর বিরুদ্ধেও নুরুদ্দীন আফসারী মিথ্যা মামলা করেছেন বলে দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ বলেন, তিনি কখনো চাকরি দেওয়ার নামে কারও কাছ থেকে অর্থ নেননি। বরং নুরুদ্দীন আফসারী তার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

শেষে তিনি প্রশাসন, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নুরুদ্দীন আফসারীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, এ বিষয়ে নুরুদ্দীন আফসারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কয়েকটি বিষয় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।