খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম নগরীতে পৃথক অভিযানে ৩টি পিস্তল, গুলি, ইয়াবা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সহ গ্রেফতার – ৩

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম নগরীতে পৃথক অভিযানে ৩টি পিস্তল, গুলি, ইয়াবা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী সহ গ্রেফতার – ৩

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডবলমুরিং ও বায়েজিদ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেফতার, জুলাই আন্দোলনে লুণ্ঠিত ২টি বিদেশি পিস্তলসহ মোট ৩টি পিস্তল, গুলি ও ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে।

সিএমপির কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় পুলিশ সন্ত্রাসী গ্রেফতারসহ এ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। এ বিষয়ে সোমবার নগরীর দামপাড়াস্থ সিএমপি’র সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং করেন সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ। সিএমপি’র উর্ধবতন কর্মকর্তা, ডবলমুরিং ও বায়েজিদ থানার অফিসার ইনচার্জ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৫ জুলাই শনিবার ডবলমুরিং মডেল থানার একাধিক চৌকস আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝর্ণাপাড়া রেলবিট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদক কারবারী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ আলমগীর (৩০) কে গ্রেফতার করে। অভিযান পরিচালনাকালে বর্ণিত ঘটনাস্থল হতে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডবলমুরিং মডেল থানা ভাংচুরকালে ডবলমুরিং মডেল থানা হতে লুণ্ঠিত ম্যাগাজিনযুক্ত ২টি ৯এমএম পিস্তল এবং ২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ আলমগীর নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন পাঠানঘর জুয়েল সিকদার বাড়ি এলাকার শামীম ওসমানের বাড়ি সংলগ্নআবদুল বাতেন ও রেনু বেগম প্রকাশ মনোয়ারা বেগমের পুত্র।

 

পুলিশ জানায়, মাদক উদ্ধার অভিযানকালে সন্ত্রাসী মোঃ আলমগীররের অনুসারীগণ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং তার অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করিলে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা শর্টগানের ২৭ রাউন্ড রাবার কার্তুজ ফায়ার করে। উক্ত সময়ে হামলাকারীদের নিক্ষেপ করা গুলি ও ইট পাটকেল এর আঘাতে ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ মোবিনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুরুতরভাবে আহত হয়। গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী মোঃ আলমগীরের বিরুদ্ধে ১২টি মাদক, ৩টি বিস্ফোরকদব্য আইন এবং ১২টি অন্যান্য মামলাসহ মোট ২৭টি মামলার রয়েছে। এদিকে সিএমপি’র বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গতকাল ২৬ জুলাই রোববার রাতে থানা এলাকায় নিয়মিত অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ চিহিৃত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের অন্যতম সহযোগী মোঃ আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম প্রঃ আরিফ (২৪)কে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসিফ বায়েজিদ থানাধীন ট্যানারী বটতল, হাশেমশাহ মাদ্রাসা রোড, বড় হুজুরের বাড়ির মোঃ ইউসুফের পুত্র ও সন্ত্রাসী আরিফ হাটহাজারী উপজেলার আমানবাজার এলাকার শাহাজী বাড়ি (১নং পাহাড়তলী) মৃত ফরিদুল আলমের পুত্র।

 

পুলিশ আরও জানায়, অভিযান পরিচালনাকালে গ্রেফতারকৃতদের দেহ তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে আসামী মোঃ আসিফের পরিহিত প্যান্টের পেছনের কোমর থেকে ১ টি কালো প্লাস্টকের গ্রীপযুক্ত বিদেশী পিস্তল, যার ট্রিগার সচল, কালো গ্রীপের একপাশে ভাঙ্গা এবং উভয় পাশে ডলফিনের লোগো রয়েছে। এছাড়া পিস্তলের ম্যাগাজিনে লোড অবস্থায় ২ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। আসামী সাইদুল ইসলাম প্রকাশ আরিফের দেহ তল্লাশীকালে তার প্যান্টের সামনের বাম পকেটে ছোট পত্রিকার কাগজে মোড়ানো অবস্থায় আরও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ধৃত আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলি বহনের বৈধ কোনো লাইসেন্স বা কাগজপত্র আসামিরা পুলিশকে দেখাতে পারেনি। পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে তারা চট্টগ্রােেমর আলোচিত চিহিৃত সন্ত্রাসী ডেভিট ইমনের অন্যতম সহযোগী এবং অবৈধভাবে অস্ত্র ও গুলি সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহারের কথা স্বীকার করে। আসামী মোঃ আসিফের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুুতি, চাঁদাবাজি, দাঙ্গা, অস্ত্র আইন, সরকারী কর্মচারীদের আঘাত ও হত্যার চেষ্টাসহ মোট ১১টি মামলা এবং আসামী সাইদুল ইসলাম প্রকাশ আরিফের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ২ টি মামলা রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।