খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হবে— আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হবে— আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তবে এ উদ্যোগ সফল করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে নগরবাসীকেই। কারণ একদিকে সিটি কর্পোরেশন নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে কাজ করছে, অন্যদিকে কিছু মানুষের অসচেতন আচরণে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হচ্ছে। নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সিসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নগর ভবনে এসে শেষ হয়।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে।” জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে এবং পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই। এ কারণে সিলেট সিটি কর্পোরেশন পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নগর এলাকায় অন্তত ৫০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়তে নিয়মিতভাবে ছড়া, খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নেও ব্যাপক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নগরবাসী যদি নির্ধারিত স্থানে আবর্জনা ফেলেন, পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হন এবং বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসেন, তাহলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অবশ্যই একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য সিলেট গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”

র‌্যালিতে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, লাইসেন্স কর্মকর্তা রুবেল আহমদসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।