খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় লক্ষণের বিরুদ্ধে আদালতে বর্ষার মায়ের সাক্ষ্য গ্রহণ

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় লক্ষণের বিরুদ্ধে আদালতে বর্ষার মায়ের সাক্ষ্য গ্রহণ

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন জামালখান এলাকায় সাত বছরের শিশু মারজানা হক বর্ষা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা জুমার আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন ভিকটিমের মা মামলার বাদী ঝর্ণা বেগম। এসময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লে আদালতে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়ে

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, কোতোয়ালী থানার সাত বছর বয়সী শিশু মারজানা হক বর্ষা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর আগে মামলাটি চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়েছিলেন। এসময়
মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি প্রদানকারী ভিকটিমের মা মামলার বাদী ঝর্ণা বেগমকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন।

 

 

এদিকে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ঝর্ণা বেগম বলেন, ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জামালখান এলাকার বাসা থেকে চিপস কিনতে বের হওয়ার পর তার মেয়ে মারজানা হক বর্ষা আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরদিন কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর ২৭ অক্টোবর বিকেলে জামালখানের লিচুবাগান এলাকার একটি ড্রেনে প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় বর্ষার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তদন্তের একপর্যায়ে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ অভিযুক্ত লক্ষ্মণ কান্তি দাশকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ডকে থাকা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেন। মামলার তদন্তে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।