খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অসহায় মালেকা বেগমের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান, নিরাপদ ঠাঁই করে দিল ‘আরএসইউএফ’

সোহেল রানা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
অসহায় মালেকা বেগমের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান, নিরাপদ ঠাঁই করে দিল ‘আরএসইউএফ’

ঝড়-বৃষ্টি এলেই আতঙ্কে কেঁপে উঠত বুক। পাটকাঠির তৈরি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরটি কখন ভেঙে মাথায় পড়ে, এই আশঙ্কায় কাটত বিনিদ্র রাত। বলছিলাম মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার গ্রামের ৫০ বছর বয়সী বিধবা মালেকা বেগমের কথা। স্বামীহারা এই নারীর নেই কোনো ছেলেসন্তান, একটিমাত্র মেয়েকে নিয়ে চলছিল তাঁর টানাপোড়েনের সংসার। বাজারে দোকানে দোকানে পানি টেনে কোনোমতে দিন এনে দিন খেতেন। উপার্জনের আর দ্বিতীয় কোনো পথ ছিল না। অবশেষে সেই অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপনে নেমে এলো স্বস্তির পরশ। মালেকা বেগমের এই দুর্দশার কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বেসরকারি সংস্থা রহমাতুন্নেছা শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (RSUF)। কালুখালী উপজেলার শাওরাইল ইউনিয়নের পাতুরিয়ায় অবস্থিত এই ফাউন্ডেশনটি মালেকা বেগমকে একটি মজবুত ‘দোচালা টিনের নতুন ঘর’ তৈরি করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে স্থায়ী ও নিরাপদ মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল পরিবারটি। আমার স্বামী অনেক আগেই মারা গেছে। কোনো ছেলে নাই, একটা মেয়ে আছে। বাজারে দোকানে পানি টেনে খাই, আয় করার মতো আর কেউ নাই। এই ঘর পেয়ে আমি খুব উপকার পেলাম বলে আবেগে আপ্লুত হমালেকা বেগম ঘর হস্তান্তর ও পরিদর্শনকালে রহমাতুন্নেছা শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সোলাইমান বলেন,আমাদের ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো: জাহিদুল ইসলাম মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় আমরা এই পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। ফাউন্ডেশনের এই মানবিক উদ্যোগ অসহায় পরিবারটির জীবনে ছড়িয়ে দিয়েছে নতুন আশার আলো। মালেকা বেগম ও তাঁর পরিবার ফাউন্ডেশন এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক সংস্থাগুলো এভাবে এগিয়ে এলে আরও অনেক অসহায় পরিবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ আকিদুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।