খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গজারিয়ায় ৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেই, দায়িত্বে আছে ভারপ্রাপ্ত/সহকারী শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় ৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নেই, দায়িত্বে আছে ভারপ্রাপ্ত/সহকারী শিক্ষক, পাঠদান ব্যাহত

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ৬৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। উপজেলার ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৫টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা থাকায় প্রধান শিক্ষক এর দায়িত্ব পালন করছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান অতিথি ও সহকারী শিক্ষকরা এতে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ২২ জন। ২৪টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকরা। বাকি ৪০টি বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবেও রয়েছেন সহকারী শিক্ষকরা।

জানা যায়, উপজেলার ৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ১১ হাজার ৩’শ ৮৮ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এসব বিদ্যালয়ের ৬৫ট প্রধান শিক্ষকের পদের পাশাপাশি ৪৩টি সহকারী শিক্ষকের পদও খালি রয়েছে ।

সরেজমিনে উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বদলি ও অবসরজনিত কারণে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে। ফলে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মাত্র চার-পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। সেখানে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে একজন সহকারী শিক্ষককে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সংকট তৈরি হয় এবং নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়।

একাধিক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিস, ব্যাংকসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহানাজ পারভীন জানান, প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদগুলোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পদগুলো পূরণের জন্য এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। নিয়মিতভাবে হালনাগাদ তথ্যও পাঠানো হচ্ছে। পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন এমন সহকারী শিক্ষকদের তালিকাও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আমি আশা করি খুব শিগগিরই শূন্য পদগুলো পূরণ হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।