খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঝাঁড়তলা–গঙ্গা ঘাটে সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী, ভোগান্তিতে দুই উপজেলার মানুষ

মোঃ আঃ কুদ্দুস
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ঝাঁড়তলা–গঙ্গা ঘাটে সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী, ভোগান্তিতে দুই উপজেলার মানুষ

নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের ঝাঁড়তলা বাজার ও গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার টোক ইউনিয়নের পাঁচুয়া হাজী বাজার (গঙ্গা) ঘাটের মধ্যে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। তবে এখনো সেতু নির্মাণ না হওয়ায় প্রতিদিন দুই উপজেলার হাজারো মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের একটি শাখা মনোহরদী ও কাপাসিয়াকে পৃথক করেছে। শুষ্ক মৌসুমে মানুষ নদের ওপর নির্মিত অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন। আর বর্ষা মৌসুমে খেয়া নৌকাই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সেতু না থাকায় শুধু যাতায়াতেই দুর্ভোগ বাড়ছে না; শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের মতে, একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে দুই উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ সহজ হবে এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
লেবুতলা ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি ও প্রভাষক মো. শফিকুল ইসলাম জুলহাস বলেন, একটি সেতু নির্মিত হলে গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা থেকে মনোহরদীর লেবুতলা হয়ে ভৈরব ও কটিয়াদী পর্যন্ত একটি বিকল্প আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ গড়ে উঠবে। এতে কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবায় নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
স্থানীয়দের মতে, সেতু নির্মিত হলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, স্থানীয় বাজারব্যবস্থা ও নতুন বিনিয়োগের সুযোগও বাড়বে।
মনোহরদী উপজেলা প্রকৌশলী হরষিত কুমার সাহা বলেন, ওই স্থানে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
দীর্ঘদিনের এই দাবির দ্রুত বাস্তবায়ন চান দুই উপজেলার বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, ঝাঁড়তলা–গঙ্গা ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।