খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুতিয়া নদীতে ট্রলারের দীর্ঘ কারাভোগ, পুরোনো ব্রিজে বাড়ছে লোকসানের পাহাড়

হাবিব হাসান
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
সুতিয়া নদীতে ট্রলারের দীর্ঘ কারাভোগ, পুরোনো ব্রিজে বাড়ছে লোকসানের পাহাড়

সুতিয়া নদীর বুক জুড়ে আজ নীরবতার ঢেউ, চলাচলহীন শত ট্রলারে জমেছে দুঃখের ঢেউ। পুরোনো এক ব্রিজ দাঁড়িয়ে পথরোধ করে আজ, নৌপথ জুড়ে থমকে গেছে জীবিকার সব সাজ।

বর্ষার জলে ফুলে উঠেছে নদীর গভীর প্রাণ, কিন্তু থেমে গেছে মাঝিদের স্বপ্ন, শ্রমিকের গান। যেখানে ছিল ভোরের ডাকে ইঞ্জিনের গর্জন, সেখানে এখন দীর্ঘশ্বাস আর অপেক্ষার স্পন্দন।

প্রায় এক মাস নদীর তীরে ৩-৪শ ট্রলার বন্দি, বালু-পাথর, নির্মাণসামগ্রী নিয়ে সময় যেন অচল সন্ধি। এক পাড়ে সারি সারি নৌকা, অন্য পাড়ে হাহাকার, নদীর বুকে জমেছে যেন অচল বাণিজ্যের ভার।

মাঝি বসে চেয়ে থাকে আকাশের কালো মেঘে, শ্রমিক ভাবে সংসারের কথা, ডুবে যায় নীরব বেদনায় ভেঙে। চুলার আগুন নিভে আসে, কমে যায় বাজারের হাঁক, নদীপথ বন্ধ হলে কত ঘরে নামে অভাবের ডাক।

ব্যবসায়ীর খাতায় বাড়ছে লোকসানের পাহাড়, সময়মতো পণ্য যায় না, বাড়ছে চিন্তার ভার। অতিরিক্ত ভাড়া, শ্রমিক খরচ, চুক্তির চাপ সয়, নদীপথ বন্ধ হলে ক্ষতির হিসাব শেষ আর হয় না।

কেউ বলে, “ট্রলার দাঁড়িয়ে আছে দিনের পর দিন,” কেউ বলে, “এই অপেক্ষা যেন অন্তহীন ঋণ।” বালুভর্তি নৌকায় জমেছে বৃষ্টির জল, চোখভরা উদ্বেগ নিয়ে কাটে প্রতিটি বিকেল।

ভালুকা থেকে গফরগাঁও—দুই তীরের একই সুর, “নদী আছে, জল আছে, চলাচল কেন এত দূর?” শিশুরা দেখে বাবার মুখে নীরবতার ছাপ, আয়ের পথ বন্ধ হলে সংসার হয় কাঁপাকাঁপ।

স্থানীয়দের অভিযোগ—এ নতুন কোনো ক্ষত নয়, প্রতি বর্ষাতেই ফিরে আসে একই রকম ভয়। জরাজীর্ণ এই ব্রিজটি কতদিন আর টিকবে? সমাধানের আশ্বাস শুধু বাতাস হয়ে মিলবে?

বছরের পর বছর দাবি ওঠে সংস্কারের কথা, নতুন ব্রিজের স্বপ্ন জাগে জনপদের ব্যথা। কাগজে আসে প্রতিশ্রুতি, সভায় শোনা যায় বাণী, কিন্তু নদীর মানুষের কপালে মেলে না টেকসই পানি।

সন্ধ্যা নামলে নদীর বুকে জ্বলে ক’টি ক্ষীণ আলো, অবরুদ্ধ ট্রলারগুলো যেন বন্দি রাতের কালো। ইঞ্জিন থেমে, বৈঠা থেমে, থেমে গেছে স্রোতের রাগ, সুতিয়া নদী আজ যেন লিখছে নীরব অনুরাগ।

স্থানীয়রা চায় সমাধান, ফিরুক নদীর প্রাণ, চলুক আবার ট্রলার ভরে বাণিজ্যের গান। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বারবার, কিন্তু পাওয়া যায়নি কাউকে, মেলেনি কোনো জবাব আর।

তবু মাঝির চোখে এখনো একটু আশার রেখা রয়, একদিন খুলবে পথ, থামবে না জীবনের জয়। ৩-৪শ ট্রলারের এই দীর্ঘ নীরব ক্ষয়, সুতিয়া নদীর বুকেই লিখছে—“চলাচল থামুক নয়।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।