খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জৈনা বাজার ইউ-টার্নে শিক্ষার্থীবাহী ভ্যান-প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ছাত্রী

শ্রাবনী আক্তার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
জৈনা বাজার ইউ-টার্নে শিক্ষার্থীবাহী ভ্যান-প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ছাত্রী

গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনা বাজার ইউ-টার্ন এলাকায় শিক্ষার্থীবাহী একটি একাডেমিক ভ্যানের সঙ্গে প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে জৈনা বাজারের শিশুতোষ বিদ্যাঘরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, গাজীপুর শাহীন ক্যাডেট একাডেমির মাওনা শাখার শিক্ষার্থী বহনকারী ভ্যানটি শিশুতোষ বিদ্যাঘরের সামনে থেকে দুই শিক্ষার্থী নিয়ে ইউ-টার্নের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভ্যানে একজন অভিভাবকও ছিলেন।
ভ্যানচালক শফিক বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইউ-টার্নের দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এতে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম আহত হয়। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং অন্য শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রাইভেটকারের চালক নাহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, তিনি ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিলেন। জৈনা বাজার ইউ-টার্ন এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ উল্টো দিক থেকে শিক্ষার্থীবাহী ভ্যানটি সামনে চলে আসে। তাঁর দাবি, ভ্যানটি রং সাইডে থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানোর সুযোগ ছিল না। বাম পাশে একটি ট্রাক থাকায় গাড়ি সরানোরও সুযোগ পাননি। এতে তাঁর গাড়ির সামনের অংশ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গাজীপুর শাহীন ক্যাডেট একাডেমির মাওনা শাখার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার সময় ভ্যানে দুই শিক্ষার্থী ও একজন অভিভাবক ছিলেন। আহত ছাত্রী মরিয়মের হাতে কাঁচের আঘাতে কেটে যায়। চালক অক্ষত থাকলেও ভ্যানটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মাওনা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, শিক্ষার্থী বহনকারী ভ্যানটি উল্টো পথে চলছিল। এতে প্রাইভেটকারটির বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছালে বিষয়টি সে অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।
মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে মহাসড়কে ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জৈনা বাজার ইউ-টার্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রং সাইডে যানবাহন চলাচল, অনিয়ন্ত্রিত ইউ-টার্ন এবং অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সেখানে স্থায়ী ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নিয়মিত নজরদারি এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।