খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বেনাপোল স্থলবন্দরে ১৫ টন কাঁচা মরিচ আমদানি

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
বেনাপোল স্থলবন্দরে ১৫ টন কাঁচা মরিচ আমদানি

যশোরে বেনাপোল স্থলবন্দরে ১৫ টন কাঁচা মরিচ আমদানি।দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত এবং তীব্র সরবরাহ সংকটের কারণে কাঁচা মরিচের দাম আকাশচুম্বী আকার ধারণ করে। এমন পরিস্থিতিতে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে ভারতের মহারাষ্ট্র ও নাসিক অঞ্চল থেকে কাঁচা মরিচের প্রথম চালান যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে এসে পৌঁছায়।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াজাতকরন শেষে এসব মরিচ দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে।

​আজ সকাল মঙ্গলবার রয়েল এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সিএনএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান মহারাষ্ট্র থেকে আরোও ১৫ টন কাঁচা মরিচের একটি চালান দেশে এসেছে যা বন্দর থেকে কাঁচা মরিচ গাড়িতে খালাস করা হচ্ছে

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ৮টার দিকে ভারতের একটি ট্রাকে ৯ হাজার ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘শিমু এন্টারপ্রাইজ’ এবং খালাসের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান ‘শিমু শিপিং লাইন্স’।
বেনাপোল উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাফ জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কাঁচা মরিচের বাজার স্বাভাবিক রাখতে প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মরিচবাহী ট্রাক বন্দরে পৌঁছানোর পর দ্রুত আইনি ও কাগজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওপারে আরও কয়েকটি ট্রাক অপেক্ষমাণ রয়েছে, যা ধারাবাহিকভাবে বন্দরে প্রবেশ করবে
​সরকারি ব্যয় ৭৮ টাকা, আমদানিকারকের দাবি ১৩৫ টাকা,কাঁচা মরিচ আমদানির নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় ঘোষিত মূল্য প্রতি টন ২৩,৮৭৫ টাকা (কেজিপ্রতি প্রায় ২৪ টাকা)।

বেনাপোল কাস্টম সূত্রে জানা যায় প্রতি কেজি কাঁচা ঝাল শুল্ক নেওয়া হচ্ছে নেওয়া হচ্ছে ৩৭ টাকা
​অন্যান্য খরচ বন্দর ব্যয়, পরিবহন, কাস্টমস ও শ্রমিক মজুরিসহ আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে কেজিপ্রতি সরকারি হিসাব অনুযায়ী মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৭৮ টাকা
তবে এই হিসাবের সঙ্গে বাস্তব খরচের বড় পার্থক্যের দাবি করেছেন আমদানিকারকরা।
আমদানিকারক শাহাজান জানান, কাস্টমসের জটিলতা, নানা খাতের অতিরিক্ত ব্যয় এবং পণ্য ছাড়করণে বিলম্বের কারণে সব মিলিয়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তার প্রায় ১৩৫ টাকা খরচ পড়ে যাচ্ছে। এর ফলে তাদের বড় ধরনের লোকসানের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
​সোমবার বেনাপোলের স্থানীয় খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আমদানিকারকের দাবি করা ১৩৫ টাকা খরচের হিসাব ধরলেও, খুচরা বাজারের ব্যবধান কেজিপ্রতি দাঁড়ায় ১৬৫ টাকা! বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হাতবদল, পরিবহন খরচ এবং কার্যকর বাজার তদারকির অভাবেই এই বিশাল পার্থক্য তৈরি হচ্ছে।
এদিকে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যেই ভারত থেকে মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, শুধু আমদানির অনুমতি দিলেই বাজারে সুফল মিলবে না। বন্দর খালাস প্রক্রিয়া সহজ করা, কাস্টমসের শুল্ক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখা এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারে কঠোর প্রশাসনিক তদারকি জোরদার করলেই তবেই মরিচের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।