খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে কোস্টগার্ডের আটক সারে জটিলতা, ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করছেন পুলিশ

কে এম রাজীব
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে কোস্টগার্ডের আটক সারে জটিলতা, ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করছেন পুলিশ

বাংলাদেশে পুলিশ অনেক সময় বিভিন্ন কারণে নানা জটিলতা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। যার ফলে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, জনরোষের ভয়, এবং অপরাধী ধরতে গিয়ে স্থানীয়ভাবে বিপাকে পড়ার মতো নানা ঘটনা প্রায়ই গণমাধ্যমে দেখা মেলে। অতীতে রাজনৈতিক ব্যবহারের কারণে পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থায় ঘাটতি তৈরি হয় এবং পুলিশ সদস্যরাও আইনি ও নিরাপত্তার ভয়ে থাকেন অনেক সময়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, মাদক কারবারি বা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয় বা সামাজিক বাধার মুখে পড়ছে পুলিশ। যার ফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা পুলিশের জন্য বড় একটি পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। তেমনি কোস্টগার্ড কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে পাচারকৃত আটক সার কর্ণফুলীতে পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। যদিও পুলিশ বলছেন জব্দ তালিকা অনুযায়ী সব কিছু ঠিক, এসব আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

 

জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সকাল ১০টার দিকে পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় প্রায় ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫০ বস্তা (২২ হাজার ৫০০ কেজি) ডিএপি সার ও পাচারে ব্যবহৃত একটি কার্গো বোট জব্দ করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই অভিযানে ২৩ জনকে আটক করা হয় এবং এ ঘটনায় পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু জব্দ অভিযানের কয়েক দিন পর সেই সারের একটি অংশ বিক্রির অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এতে করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে প্রকাশকালে দেখা যায়, কোস্ট গার্ড জব্দ করার পর সারগুলো তখনও কার্গো বোটেই সংরক্ষিত ছিল। আনুষ্ঠানিক ভাবে মালামাল হস্তান্তর বা গুদামজাত করার আগেই নৌযান থেকে ধাপে ধাপে সার বের করে বিক্রির করেছে একটা চক্র। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, পতেঙ্গা থানাধীন কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর, ফাঁড়ির দ্বিতীয় কর্মকর্তা এএসআই শম্ভু নাথ এবং আনোয়ারার রাঙ্গাদিয়া ফাঁড়ি ও কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির সাথে সংশ্লিষ্ট কথিত ‘ক্যাশিয়ার’ কনস্টেবল আলাউদ্দিনের যোগসাজশে জব্দ করা সার থেকে ৯০ বস্তা কর্ণফুলীর জুলধা এলাকার মো: মনিরের কাছে বিক্রি করা হয়। কিন্তু তারা বলছে এসবে আমরা জড়িত নয়। কোস্টগার্ড আমাদের যেভাবে জব্দ তালিকা অনুযায়ী বুঝিয়ে দিয়েছে, সেভাবে মালামাল আমাদের কাছে রয়েছে।

 

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে পতেঙ্গা থানাধীন কয়লার ডিপো পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজিবুল ইসলাম তানভীর ও ফাঁড়ির অন্য কর্মকর্তা এএসআই শম্ভু নাথ বলেন, মালামাল সরানোর বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা। এটা একটা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তারা বলেন, কোস্টগার্ড জব্দ তালিকা দিয়ে আমাদের যেভাবে মাল গুলো বুঝিয়ে দিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই আছে। আমাদের ওসি স্যার নিজ হাতে সেসব সারের বস্তা গুলো গুনেছেন। এখানে আমাদের বস্তা সরানোর কোনো সুযোগ নেই। যে গুলো শুনছেন সেগুলো সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। তবে এবিষয়টি আমাদের উর্ধ্বতন স্যারেরা দেখছেন। ঘটনার বিষয়ে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আলী বলেন, ‘জব্দ করা সার বিক্রির অভিযোগ আমরা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করেছি এবং সে সারের বস্তা গুলো আমি নিজ হাতে গননা করেছি এবং আমার উর্ধ্বতন স্যারকে রিপোর্ট দিয়েছি। গননা করে দেখতে পাই জব্দ করা ৪৫০ বস্তা সার বরাবরই আছে। তবে কি ভাবে যে বিক্রির কথাটা উঠে আসলো তা আমি বুঝতে পারছিনা। পাশাপাশি ঘটনা কতটুকু সত্য কতটুকু মিথ্যা তা এখনো যাচাই বাছাই করছি। যদি কেউ ষড়যন্ত্র করার পেছনে জড়িত থাকে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।