খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহীতে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পৃথক ভূমি কমিশনের দাবিতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পৃথক ভূমি কমিশনের দাবিতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত

আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, পৃথক ও কার্যকর ভূমি কমিশন গঠন, ভূমির অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবিতে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাকনহাটে বেসরকারি সংস্থা সিসিবিভিও’র শাখা কার্যালয়ে রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির আয়োজনে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে আদিবাসী সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনের শতাধিক সদস্যের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রা বের করা হয়। ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা ও বাদ্যযন্ত্র সহকারে শোভাযাত্রাটি কাকনহাট বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কে গিয়ে পথসভায় মিলিত হয়। পরে সিসিবিভিও শাখা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ কক্ষে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির সভাপতি সুধীর সরেনের সভাপতিত্বে ও সিসিবিভিওর ঊর্ধ্বতন কর্মসূচি কর্মকর্তা সৌমিক ডুমরীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের নেতা বিউটি তির্কী,সিষ্টি টুডু,ইথার আরিফ এবং গ্লোবাল টেলিভিশনের রাজশাহী প্রতিনিধি মো. আব্দুল বাতেন।

সভায় বক্তারা বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র জাতিসত্তা, ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে আসলেও তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ভূমি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, আদিবাসীদের অস্তিত্বের সঙ্গে ভূমির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। কিন্তু ভূমি দখল, বিরোধ ও মালিকানা জটিলতায় অনেক আদিবাসী পরিবার বসতভিটা ও চাষের জমি হারিয়েছেন। এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত পৃথক ও কার্যকর আদিবাসী ভূমি কমিশন গঠন জরুরি।

একই সঙ্গে জাতীয় বাজেটে আদিবাসীদের জন্য বরাদ্দ অপ্রতুল উল্লেখ করে বক্তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি,আবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিশেষ বরাদ্দ বাড়ানো এবং তার সঠিক বাস্তবায়নে জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি জানান।

সভায় বক্তারা আদিবাসীদের ভাষা-সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সিসিবিভিওর সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃশাহাবুদ্দিন, ঊর্ধ্বতন কর্মসূচি কর্মকর্তা নিরাবুল ইসলাম, কর্মসূচি কর্মকর্তা রুমা লাভলি মুর্মু, পৌল টুডু, যোশেফ হাঁসদা ও বিভিন্ন এলাকার সমাজ সংগঠকসহ কাকনহাট ও আশপাশের আদিবাসী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।