খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অধ্যক্ষ- উপধ্যক্ষের অপসারণের দাবী

জাহাঙ্গীর আলম শরিফ
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০০ অপরাহ্ণ
অধ্যক্ষ- উপধ্যক্ষের অপসারণের দাবী

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দ্রাস্থ কালিয়াকৈর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষের অপসারণের অপসারণ দাবীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল, কলেজে ভাংচুর ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়, গত ৫ আগষ্টের অনুষ্ঠানটি সরকারি ভাবে উদযাপনের কথা থাকলেও অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আহমেদ উল্লাহ এবং উপাধ্যক্ষ ইফতার হোসেন সহ আওয়ামী দোসরদের যোগসাজশে ৩ আগষ্ট সকালে নাম মাত্র অনুষ্ঠান দেখিয়ে তারা নিকলি হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চলে যান।
জুলাই বিপ্লবের অবমাননা ও কলেজকে ফ্যাসিষ্টমুক্ত করতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোব্ধ হয়ে তারা কলেজ ক্যাম্পাস ভাংচুর, ৪/৫টি বোমা বিস্ফোরণ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। পরে খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিয়াকৈর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন জানান, জুলাই যুদ্ধাদের অবমাননা ও আমাদের শিক্ষার্থীদের দাবী মেনে না নেওয়ায় কলেজ ক্যাম্পাস ফুঁসে উঠেছে।

চন্দ্রা ত্রিমোড় বাসস্ট্যান্ডের ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বলেন আজ সকালে মিছিল শুরু হওয়ার পরে ৪/৫ বোমা বিস্ফোরণের শব্দ পেয়েছি। কিছুক্ষন পরে পুলিশের গাড়ি আসলে পরিবেশ শান্ত হয়।

কলেজ শিক্ষার্থী সোনালী আক্তার বলেন কলেজে এসে মিছিল আবার বোমা বিস্ফোরণের শব্দে আমরা ভয় পেয়েছি।

কলেজ শিক্ষক পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সেলিম জাহান বলেন,
৩ আগষ্ট আমাদের অনুষ্ঠান হয়েছে। বৃষ্টির কারণে মাঠে সম্ভব না হওয়ায় কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আহমদুল্লাহ বলেন, সরকারি বিধান অনুযায়ী আমরা সকল কর্মসুচী পালন করে আসছি। ৫ আগষ্টের দিন সরকারি ছুটি ছিল তাই সরকারি বিধি অনুসারে ৩ আগষ্ট অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়েছে।

কালিয়াকৈর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সহিদুল ইসলাম বলেন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজে বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে সমঝোতা আহবান জানিয়েছি।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।