চুনারুঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা। আদালত এবং থানায় অভিযোগ
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাটিয়াজুরীকে নিরিহ হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী রবীন্দ্র সরকার জানান দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসলেও সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি জোরপূর্বক জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে। তিনি আরোও জানান, তাদের পূর্বপুরুষের মালিকানাধীন জমির কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সাটিয়াজুরী গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে আমির হোসেন গংরা তার দলবল নিয়ে তাদের জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে। চুনারুঘাট থানা পুলিশ ও আদালত তাদের বাধা দিলে গায়ের জোরে আমির হোসেন গংরা জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে।
এতে বাধা প্রদান করলে আমির হোসেন,ফরিদ মিয়া,খুর্শেদ আলী গংরা মিলে রবীন্দ্র সরকারের ভাই ভাতিজাদের উপর আক্রমণ করে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়।
গত রবিবার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের রুপনাথপুর মৌজার রবিন্দ্র সরকারের জমিতে আমির হোসেন গংরা দখলের চেষ্টা করে বাউন্ডারি নির্মান করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বন্ধ করে দিলেও গতকাল মঙ্গলবার আবারোও বাউন্ডারি নির্মান করে। এতে রবিন্দ্র সরকার এবং তার পরিবার সংখ্যালগু হিসাবে নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে৷ সম্প্রতি রবীন্দ্র সরকার বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি অভিযোগ এবং হবিগঞ্জ আদালতেও মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামী করা হয় আমির হোসেন, ফরিদ মিয়া, খুর্শেদ আলী গংদের।
মামলার সুত্রে জানা যায়
ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকাারী জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তারা প্রশাসনের কাছে জমির কাগজপত্র ও রেকর্ড যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এ ব্যাপারে আমির হোসেন জানান তিনি ক্রয় সুত্রে জমির মালিকানা হয়েছেন।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান,বিষয়টির সবকিছু উনার জানা নেই,তিনি নতুন যোগদান করেছেন। তবে তিনি অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পাটিয়েছেন।



আপনার মতামত লিখুন