খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা। আদালত এবং থানায় অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা। আদালত এবং থানায় অভিযোগ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাটিয়াজুরীকে নিরিহ হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী রবীন্দ্র সরকার জানান দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসলেও সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি জোরপূর্বক জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে। তিনি আরোও জানান, তাদের পূর্বপুরুষের মালিকানাধীন জমির কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সাটিয়াজুরী গ্রামের আব্দুল আলীর ছেলে আমির হোসেন গংরা তার দলবল নিয়ে তাদের জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে। চুনারুঘাট থানা পুলিশ ও আদালত তাদের বাধা দিলে গায়ের জোরে আমির হোসেন গংরা জমি দখল করে বাউন্ডারি নির্মান করছে।

এতে বাধা প্রদান করলে আমির হোসেন,ফরিদ মিয়া,খুর্শেদ আলী গংরা মিলে রবীন্দ্র সরকারের ভাই ভাতিজাদের উপর আক্রমণ করে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়।
গত রবিবার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের রুপনাথপুর মৌজার রবিন্দ্র সরকারের জমিতে আমির হোসেন গংরা দখলের চেষ্টা করে বাউন্ডারি নির্মান করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বন্ধ করে দিলেও গতকাল মঙ্গলবার আবারোও বাউন্ডারি নির্মান করে। এতে রবিন্দ্র সরকার এবং তার পরিবার সংখ্যালগু হিসাবে নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে৷ সম্প্রতি রবীন্দ্র সরকার বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় একটি অভিযোগ এবং হবিগঞ্জ আদালতেও মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামী করা হয় আমির হোসেন, ফরিদ মিয়া, খুর্শেদ আলী গংদের।
মামলার সুত্রে জানা যায়
ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকাারী জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তারা প্রশাসনের কাছে জমির কাগজপত্র ও রেকর্ড যাচাই করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ এবং অবৈধ দখল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এ ব্যাপারে আমির হোসেন জানান তিনি ক্রয় সুত্রে জমির মালিকানা হয়েছেন।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান,বিষয়টির সবকিছু উনার জানা নেই,তিনি নতুন যোগদান করেছেন। তবে তিনি অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পাটিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।