খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে নারীদের জন্য নিরাপদ পিংক বাস সার্ভিস উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে নারীদের জন্য নিরাপদ পিংক বাস সার্ভিস উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিতে ঢাকা ও বগুড়ার মতো চালু হলো বিশেষ মহিলা বাস ” পিংক বাস সার্ভিস “। গোলাপি রঙের এই বাসে চালক, সহকারী ও যাত্রী সবাই থাকবেন নারী। মঙ্গলবার ( ১৮ আগষ্ট ) এ বাস চালু কার্ষক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এসময় তিনি বলেন,চট্টগ্রামের মিল কারখানা গুলোতে অনেক অনেক মা বোনরা আছেন, যারা কাজ শেষে বাড়ি ঘরে পৌঁছাতে অনেক সমস্যা হয়। তাদের জন্য এ পিংক বাস সার্ভিসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সরকারের উদ্যােগে আমি আজ এ বাস সার্ভিসটি উদ্বোধন করতে পেরে খুবই আনন্দিত। তিনি বলেন, আজকের দিন নারীদের ঐতিহাসিক দিন। চট্টগ্রামে কর্মজীবি যত মা বোনেরা আছেন তারা এবার স্বাচ্ছন্দ্যময় ভাবে বাড়ি থেকে কর্মস্থল এবং কর্মস্থল থেকে বাড়ি পৌঁছাতে পারবে। তাদের যেন কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, নিরাপদে যেন যাতায়াত করতে পারে, সে জন্য সরকার নারী চালক এবং চালকের নারী সহকারী দিয়ে এটি চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। এসময় তিনি নারীদের পিংক বাস সার্ভিসে যেন নিরাপদে যাতায়াত করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

 

 

জানা যায়, এ পিংক বাস সার্ভিস আজ হতে কালুরঘাট থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা হয়ে পতেঙ্গা রুটে বাসটি চলাচল করার কথা রয়েছে। প্রায় ২২ থেকে ২৫ কিলোমিটারের এই রুটে কালুরঘাট থেকে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত ভাড়া ১০ টাকা। আর কালুরঘাট বা কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮ টাকা। বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নারী যাত্রীরা।
নারী যাত্রীদের মতে, সাধারণ গণপরিবহনে চলাচলের সময় ইভটিজিং, হয়রানি ও অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শের মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। শুধু নারীদের জন্য বাস চালু হলে এসব ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
জেরিন নামে এক নারী যাত্রী বলেন, কম্বাইন্ড বাসে অনেক সময় ইভটিজিং ও হয়রানির শিকার হতে হয়। আবার মেয়ে কম থাকলে বাসে উঠতেও দেওয়া হয় না। এখানে চালক, সহকারী ও যাত্রী সবাই নারী। তাই আমরা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করছি। রুমা আক্তার নামে আরেক যাত্রী বলেন, অনেক দিন ধরেই আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল নারীদের জন্য আলাদা বাস চালু হোক। এটি খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। নারীদের জন্য আরও বাস চালু করা উচিত। বাসের দায়িত্বে থাকা নারী চালক বলেন, নারী চালক, নারী কন্ডাক্টর ও নারী যাত্রী নিয়ে বাসটি পরিচালনা করতে পেরে আমি গর্বিত। যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারাটাই আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বাস সার্ভিসের মাধ্যমে নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের পাশাপাশি পরিবহন খাতে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।