খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে ভান্ডালজুড়ি থেকে পানি পতেঙ্গা এলাকায় আনা ছিল আমার প্রথম পদক্ষেপ : জানে আলম

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ভান্ডালজুড়ি থেকে পানি পতেঙ্গা এলাকায় আনা ছিল আমার প্রথম পদক্ষেপ : জানে আলম

দীর্ঘদিনের পানি সংকটে থাকা পতেঙ্গা, কাট্টলীসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের পানি সংকট ছিল। টানেল ব্যবহার করে পতেঙ্গা এলাকায় পানি সরবরাহ হলে ওই এলাকার সুপেয় পানির চাহিদা মিটবে। এনিয়ে কর্ণফুলী টানেলের ইউটিলিটি ডাক্ট ব্যবহার করে ভান্ডালজুড়ির পানি শোধনাগার থেকে পতেঙ্গা এলাকায় পানি সরবরাহের পাইপলাইন স্থাপনে অনাপত্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার ( ১৮ আগষ্ট ) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান ওয়াসার জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল কাসেম।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের গত ১১ আগষ্ট দেওয়া অনাপত্তিপত্রে বলা হয়েছে, পাইপলাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে কর্ণফুলী টানেলের কাঠামোগত নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং বিদ্যমান ইউটিলিটিগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যের বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করতে হবে।

এদিকে, সুপেয় পানি সরবরাহ বাড়লে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের পানি সমস্যার সমাধান হবে। সাগর তীরবর্তী হওয়ায় এসব এলাকার পানি লবণাক্ততা প্রবণ।

 

ভান্ডালজুড়ি পানি শোধনাগার থেকে দৈনিক প্রায় ২ কোটি লিটার পানি এসব এলাকায় সরবরাহ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে ওয়াসা।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসায় যোগদানের পর টানেল দিয়ে ভান্ডালজুড়ি থেকে পানি পতেঙ্গা এলাকায় আনা ছিল আমার প্রথম পদক্ষেপ। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি প্রদানের মাধ্যমে সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথ সুগম হলো। তিনি আরও বলেন, টানেল দিয়ে পানি আনার জন্য পাইপলাইন স্থাপন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সেতু কর্তৃপক্ষ ও টানেলের মূল ঠিকাদারের মাধ্যমে করার পরিকল্পনা রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।