খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে কারখানা বিক্রির আশঙ্কায় সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে কারখানা বিক্রির আশঙ্কায় সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম মহানগরের আতুরের ডিপো এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকেরা। ইত্যাদি জিন্স লিমিটেড কারখানা বিক্রি বা হস্তান্তর করা হচ্ছে এমন আশঙ্কায় শ্রমিকরা এমন বিক্ষোভ করেছেন। বুধবার ( ১৯ আগষ্ট ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে আতুরের ডিপো এলাকার প্রধান সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত শ্রমিকেরা সড়ক ছাড়েননি। শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণে আতুরার ডিপো এলাকার প্রধান সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন কর্মস্থলগামী মানুষ। এছাড়া চলাচলকারী যাত্রী ও সাধারণ মানুষও চরম দুর্ভোগে পড়েন। এদিকে অবরোধের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। সেখানে শিল্প পুলিশ ও নগর পুলিশের একাধিক দল উপস্থিত ছিল।

 

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ চট্টগ্রামের পুলিশ সহকারী সুপার বাঁধন বলেন, আমরা শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সড়ক অবরোধের কারণে আতুরের ডিপো এলাকার প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। তিনি বলেন, আমরা শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করেছি। শ্রমিকদের অভিযোগ, তাদের জানানো হয়েছে কারখানাটি বিক্রি করে দেওয়া হবে। কারখানা বন্ধ বা বিক্রি করা হলে আইন অনুযায়ী পাওনা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন এমন শ্রমিকও রয়েছেন। এক শ্রমিক বলেন, আমাদের বলা হয়েছে কারখানা বিক্রি করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আমরা তিন মাসের বেতন অগ্রিম দাবি করছি। এখানে ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে কাজ করা শ্রমিক রয়েছেন। তাদের লিভ সেলারিসহ আইন অনুযায়ী পাওনা দিতে হবে।শ্রমিকদের দাবি, কারখানা বিক্রি বা হস্তান্তর করা হলে তাদের দীর্ঘদিনের চাকরির পাওনা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এ দাবিতে তারা সড়কে অবস্থান নেন।

 

তবে শ্রমিকদের অভিযোগের সঙ্গে ভিন্নমত জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, কারখানা হস্তান্তরের একটি উদ্যোগ থাকলেও পরে তা বাতিল করা হয়েছে। এখন মালিকপক্ষই আগের মতো কারখানাটি পরিচালনা করবে।
ইত্যাদি জিন্স লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক (এইচআর) রাশেদ সিকদার বলেন, আমাদের কারখানা হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে শ্রমিকেরা কাজ করবেন বলে জানালে পরে সেটি বাতিল করা হয়। মালিক আবার কারখানাটি চালাবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে গত ১৫ আগস্ট একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিকদের কোনো বেতন বকেয়া নেই। তারা কেন সড়ক অবরোধ করছেন, আমরা জানি না। সকালে মালিকপক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, কারখানাটি মালিকই চালাবেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।