খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বন্যাদুর্গতদের পাশে বিজিবি: দৌলতপুর সীমান্তে খাবার বিতরণ

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
বন্যাদুর্গতদের পাশে বিজিবি: দৌলতপুর সীমান্তে খাবার বিতরণ

​বেনাপোল পোর্ট থানাধীন দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) পক্ষ থেকে বুধবার (১৯ আগস্ট) এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

​বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও বন্যায় দৌলতপুর বিওপির আওতাধীন এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে বহু পরিবার। এই চরম মানবিক সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি)। বিজিবি সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত ৭০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, আটা, চিনি, ডাল, সয়াবিন তেল এবং লবন।

​ত্রাণ বিতরণকালে খুলনা ব্যাটালিয়নের (২১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান নিজে উপস্থিত থেকে ত্রাণসামগ্রী ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেন।

​এ সময় তিনি বলেন, “বিজিবি সর্বদা দেশের সেবায় নিয়োজিত। আমরা সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমরা ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এসেছি। আশা করি, এই সহায়তা তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করবে।”
​বিজিবি অধিনায়ক আরো বলেন, “বিজিবি একটি সুশৃঙ্খল ও পেশাদার বাহিনী। আমরা দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি আমাদের ধারাবাহিক মানবিক কার্যক্রমের একটি অংশ। আমরা ভবিষ্যতে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাব।”

​ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা, দৌলতপুর বিওপির কমান্ডার এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, বিজিবি ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং বিপদে পড়া মানুষের পাশে থাকবে।
​
​বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শুধু সীমান্ত সুরক্ষাতেই নয়, বরং মানবিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে থাকে। বিজিবি বিভিন্ন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, দুস্থদের জন্য ঘর নির্মাণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, এবং বন্যা কবলিত মানুষের সহায়তার মত কাজ করে। এছাড়াও বিজিবি রক্তদান কর্মসূচি এবং বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবির এই সকল কার্যক্রম তাদের দেশপ্রেম ও মানবতার পরিচয় দেয়। বিজিবির সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের ফলেই আজ বাংলাদেশ একটি নিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।