খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাকলিয়া চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম অনুন্নত এলাকা হিসেবে বিবেচিত : চউক চেয়ারম্যান

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বাকলিয়া চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম অনুন্নত এলাকা হিসেবে বিবেচিত : চউক চেয়ারম্যান

চট্টগ্রামকে একটি পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( চউক)

কর্ণফুলী এলাকার নদীর তীরের ৩ কিলোমিটার জুড়ে একটি পর্যটন জোন স্থাপন করতে যাচ্ছে।
এটি নগরীর বাকলিয়া থেকে কালুরঘাট সেতু ও চাক্তাই খাল পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর তীরে সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে এ পর্যটন জোনের কাজটি করা হবে। চউক’র উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আবু ঈসা আনছারী জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের অধীনে শাহ আমানত সেতু থেকে বলিরহাট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার এলাকায় একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।

 

এছাড়া এখানে শিশুদের জন্য বিনোদন সুবিধাসহ পর্যটকবান্ধব রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হবে। পর্যটন কেন্দ্রটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি। চউক সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় ‘কালুরঘাট চাক্তাই চার লেনের মেরিন ড্রাইভ সড়ক’ প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছিল। ২০১৯ সালের জুন মাসে চাক্তাই খালের মোহনায় একটি স্লুইচগেট নির্মাণের মাধ্যমে প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়।

 

এবিষয়ে প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাস বলেন, নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এই সড়কটি সিটি বাইপাস লুপ রোড ও অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়কের মাধ্যমে ঢাকা চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ককে সংযুক্ত করবে এবং শহরের যানজট কমাবে। তিনি বলেন, কাপ্তাই, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলা থেকে শহরে আসা যানবাহনগুলো এই সড়ক দিয়ে শহর কেন্দ্রকে বাইপাস করে শহরের বিমানবন্দর ও পতেঙ্গা এলাকা এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামে যেতে পারবে। এছাড়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপজেলাগুলো থেকে যানবাহনগুলো এর মাধ্যমে শহরের উত্তর দিকে যেতে পারবে।

 

তিনি আরও জানান, ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের ৯২ শতাংশ নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সড়কটি পুরোদমে চালু হলে এর বহুমাত্রিক সুফল পাওয়া যাবে। এর ফলে নগরের জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ, নদীতীর সংরক্ষণ, নগর যোগাযোগ, আধুনিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পর্যটন খাতের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

 

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( চউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, এই প্রকল্পে সিডিএ মাস্টার প্ল্যান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ তিন কিলোমিটার দীর্ঘ পর্যটন অঞ্চল গড়ে তুলবে। বাকলিয়া চট্টগ্রাম শহরের অন্যতম অনুন্নত এলাকা হিসেবে বিবেচিত। এই এলাকার উন্নয়নে বেসরকারি বা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।