খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে পাঁচলাইশে দিনে দুপুরে বাসায় ডাকাতি, নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার লুট

কে এম রাজিব
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচলাইশে দিনে দুপুরে বাসায় ডাকাতি, নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার লুট

চট্টগ্রাম মহানগরের পাঁচলাইশে একটি বাড়িতে দিনে দুপুরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার ( ২৮ আগষ্ট ) জুমার নামাজের সময় পাঁচলাইশ থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ডের হাদু মাঝি পাড়া এলাকার ছাবের মাষ্টারের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল নুরুল কবিরের বাড়ির কয়েকটি সিসি ক্যামরা ভাংচুর করে এই লুটপাট চালায়। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণলংকার, ল্যাপটপসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। ঘটনার পর পরই সিএমপির পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

 

ভুক্তভোগী নুরুল কবির জানান, দুপুরে জুমার নামাজের সময় বাড়িতে না থাকার সুযোগে ডাকাতি করে আমার দায়ের করা দুইটি মামলার আসামীরা। নামাজে থাকাকালীন আমার মোবাইল বন্ধ ছিল। পরে বাড়ি এসে দেখি ঘরের দরজা খোলা, আমার স্ত্রী রুনা আক্তার রুপাকে মারধর করে বাথরুমের ভিতরে ডুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। তারপর ডাকাতরা পুরো ঘরের জিনিষিপত্র তসনস করে ব্যবসার ৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, আলমারিতে রক্ষিত প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণরংকার, একটি ল্যাপটপসহ মূলব্যান সামগ্রী নিয়ে আমাকে পথে বসিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। আমার স্ত্রী কয়েকজনকে চিনে ফেলেছে। আমি পশ্চিম ষোলশহর ৭ নং ওয়ার্ডের হাদু মাঝির পাড়ার মো. ইউনুছের পুত্র ইলিয়াছ হোসেন অপু, ফয়সাল, করি হোসেনের পুত্র মোঃ আনোয়ার, জহির আহমদের পুত্র ইমরানসহ আরো নাম না জানা অজ্ঞাতদের আসামী করে থানায় মামলা করবো।

 

এর আগে ব্যবসায়ী নূরুল কবিরের নিকট দাবীকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে চলতি বছরের গত ১ জুন রাতে নূরুল কবিরকে তুলে নিয়ে স্থানীয় সোহেলের গ্যারেজে আটকে রেখে মারধর এবং মোটরসাইকেল ভাংচুর করে নগদ ১ লক্ষ ৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে চাঁদা না পেলে পুনরায় অপহরণের হুমকি দেয়। উক্ত ঘটনার পরদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে সোহেল তার দলবল নিয়ে এসে নূরুল কবিরকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়। এসময় তার স্ত্রীকেও ব্যাপক মারধর করে। উক্ত ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়। ৬/৬/২০২৬ইং তারিখের দায়েরকৃত মামলা নং ৪ এবং ২৭ জুন দায়েরকৃত মামলা নং ২৩। উভয় মামলায় সোহেলকে ৪ নং আসামি করা হয়। পরে ৩টি মামলায় সোহেলকে পুলিশ গ্রেফতার।
জানা গেছে, পাঁচলাইশ থানাধীন হাদুমাঝি পাড়ার নাছিরের ছেলে জয়নাল আবেদীন সোহেল যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। আওয়ামীলীগ সরকারের সময় এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন। এলাকায় কেউ বাড়ীঘর নির্মাণ করলে তাকে বাধ্য করে বাড়তি টাকায় ইট-বালি সাপ্লাই দিতেন, অন্যথায় মোটা অংকের চাঁদা আদায় করতেন। মাদক-জুয়ার আসর পরিচালনা করে এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংসের মূলহোতা এই সোহেল নিয়ন্ত্রণ করেন একটি কিশোর গ্যাং। এই গ্যাং দিয়ে চুরি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।