খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গুমের তদন্তের ভার শৃঙ্খলা বাহিনীকে নয়, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে রাজশাহীতে ‘অধিকার’র মানববন্ধনে ৩ দফা দাবি

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
গুমের তদন্তের ভার শৃঙ্খলা বাহিনীকে নয়, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে  রাজশাহীতে ‘অধিকার’র মানববন্ধনে ৩ দফা দাবি

গুমসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্তের ক্ষমতা কোনো শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে না দিয়ে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওপর ন্যস্ত করার দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

 

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজশাহী নগরীর অলোকার মোড়ে চেম্বার অব কমার্সের সামনে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

 

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ‘অধিকার’র রাজশাহী সমন্বয়ক ও রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক এম শামিম আক্তার। বিবৃতি পাঠ করেন গুম থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগী আল আমিন হোসেন।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে থাকে, তাহলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে। কারণ কোন বাহিনী গুমের সাথে জড়িত তা তদন্তের আগে বলা সম্ভব নয়। অতীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের নজির রয়েছে। এক বাহিনীর পরিচয়ে অন্য বাহিনীর সদস্যরা মানুষকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও আছে। তাই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতা দিতে হবে।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত, দৈনিক নতুন প্রভাতের সম্পাদক কবি সোহেল মাহবুব, রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি মাসুদ রানা রাব্বানী, মানবাধিকার কর্মী আনোয়ার হোসেন, বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংবাদিক হুজাইফা, মানবাধিকার কর্মী নুরুল আলমসহ শতাধিক সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী।

 

সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সংসদে উত্থাপিত ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় বলা হয়েছে অভিযুক্ত বাহিনী নিজে তদন্ত করতে পারবে না, তবে সরকার অন্য বাহিনী বা আন্তঃবাহিনী দলকে দায়িত্ব দিতে পারবে। এতেও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকে। এছাড়া অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ভুক্তভোগীদের নিরুৎসাহিত করবে।

 

 

গুমের তদন্তের ক্ষমতা শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে না দিয়ে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে এবং আইনে তা স্পষ্ট করতে হবে।

 

এখনো নিখোঁজ গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার যাতে তাদের ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি পরিচালনা করতে পারে, সেজন্য আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নির্যাতনে আদায় করা স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হওয়া মামলা ও সাজা পুনর্বিবেচনা করতে হবে

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।