খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কালিয়াকৈরে গজারী বনে গার্মেন্টস কর্মকর্তার মুখ পোড়ানো লাশ

জাহাঙ্গীর আলম শরিফ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে গজারী বনে গার্মেন্টস কর্মকর্তার মুখ পোড়ানো লাশ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গলাচিপা এলাকার গহীন গজারী বন থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর মশিউর রহমান(৪৫) নামে এক গার্মেন্টস কর্মকর্তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের গলায় রশি প্যাঁচানো ও মুখমণ্ডল পুড়ে যাওয়ার আলামত পাওয়ায় এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত মশিউর রহমান রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার রাজভল্লবপুর এলাকার মৃত হাজী আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার দোকানপাড়া এলাকার জেএম নামের একটি পোশাক কারখানায় কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বসবাস করতেন গাজীপুর সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার ২৭ আগস্ট থেকে মশিউর রহমান নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

শনিবার দুপুরে গলাচিপা গজারী বনের ভেতর থেকে তীব্র পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা বনের ভেতরে গিয়ে একটি গাছের ডালের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ দেখতে পান। লাশের অধিকাংশ অংশ মাটির সাথে লেগে ছিল। গলায় রশি প্যাঁচানো ছিল এবং মুখমণ্ডল কালো হয়ে পুড়ে গেছে।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করে।

কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক অপারেশন রবিউল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে দুর্বৃত্তরা ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে লাশটি এখানে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। লাশের পরিচয় শনাক্ত করা না যায় সেজন্য মুখমণ্ডলে আগুন দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি হত্যা নাকি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

মশিউর রহমানের কর্মস্থল জেএম গার্মেন্টসের সহকর্মীরা জানান, তিনি অত্যন্ত ভদ্র ও কর্মঠ ছিলেন। তার এমন মৃত্যুতে কারখানা ও পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ বলছে, মশিউরের সাথে কারও শত্রুতা ছিল কিনা বা আর্থিক লেনদেনের জের আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।