খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মোস্তাফিজেই আস্থা রাখতে চায় তৃণমুল নেতাকর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ
ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মোস্তাফিজেই আস্থা রাখতে চায় তৃণমুল নেতাকর্মীরা

বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনকে ঘিরে সংগঠনটির রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে একাধিক নাম। সম্ভাব্য সভাপতি পদ প্রার্থীদের তালিকায় যাদের নাম ঘুরছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বর্তমান কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি পদপ্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় থাকা মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমানে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পরবর্তীতে এমফিলে ভর্তি হয়েছেন। হলের সংযুক্তি পরিবর্তনের পর তিনি সূর্যসেন হলের সাথে যুক্ত ছিলেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, বিভিন্ন কর্মসূচি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি সবসময় সম্মুখসারিতে সক্রিয় ছিলেন।দীর্ঘকাল ধরে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও দুঃসময়ে সংগঠনের পাশে থাকায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তার একটি কর্মীবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ইমেজ রয়েছে।

 

দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এই ছাত্রনেতাকে তৃণমূলের একটি বড় অংশ ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে দেখছে। দীর্ঘকাল ধরে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও দুঃসময়ে সংগঠনের পাশে থাকায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তার একটি কর্মীবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ইমেজ রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যায়, নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং সংগঠনের কঠিন সময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা নেতাদের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কে নেতৃত্বে আসবেন তা নির্ভর করবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।

২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হল শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত ভিপি পদপ্রার্থী ছিলেন।সমর্থকদের ভাষ্য, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি সংগঠন ছেড়ে সরে যাননি বরং রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাদের দাবি, কঠিন সময়ে দলীয় পতাকা আঁকড়ে ধরে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণেই তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে, ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থী হন মোস্তাফিজুর রহমান।

আওয়ামী দোসরদের মিথ্যা মামলায় ২০১৯ সালে মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে তাকে মিথ্যা মামলায় কারাবাসসহ হয়রানি ও চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে দাবি করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনসহ স্বৈরাচারবিরোধী সকল কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।সমর্থকদের মতে, আন্দোলনের সময় তিনি কর্মীদের সাহস জুগিয়েছেন এবং বিপদের মুহূর্তে তাদের পাশে থেকেছেন।

 

সম্প্রতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং, নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতিকে সংগঠনের বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।তাদের মতে, দীর্ঘদিন একই নেতৃত্বে সংগঠন পরিচালনা, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং আঞ্চলিকতার প্রভাব ছাত্রদলের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করেছে। ফলে সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী মনে করেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি রাজপথে পরীক্ষিত, কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং সংগঠনের আদর্শে অটল। তাদের মতে, কর্মীদের আস্থা ধরে রাখা, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠন এবং আন্দোলন-সংগ্রামকে সংগঠিতভাবে পরিচালনা করার সক্ষমতা থাকতে হবে নতুন নেতৃত্বের।

 

এ প্রেক্ষাপটে মোস্তাফিজুর রহমানের নাম আলোচনায় আসায় সংগঠনের ভেতরে নতুন করে আলোচনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত এবং তৃণমূলের সঙ্গে সংযোগ থাকা নেতাদের হাতেই সংগঠনের ভবিষ্যৎ দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত।তবে শেষ পর্যন্ত ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে কে আসবেন, তা নির্ধারিত হবে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই। নতুন কমিটি ঘোষণার আগ পর্যন্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের একাধিক নেতা।

 

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।