খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়লে দূর হবে কিশোর অপরাধ,মাদক ও বাল্যবিবাহ: বিভাগীয় কমিশনার নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রাজশাহীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন নজরুলের আদর্শ ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়লে দূর হবে কিশোর অপরাধ,মাদক ও বাল্যবিবাহ: বিভাগীয় কমিশনার     নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রাজশাহীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন   নজরুলের আদর্শ ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান

বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী বলেছেন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং খেলাধুলার সাথে সমাজের অপরাধ প্রবণতার একটি বিপরীতমুখী সম্পর্ক রয়েছে। সমাজে যদি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চা বৃদ্ধি পায়, তবে কিশোর অপরাধ, মাদকাসক্তি, জুয়া ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলো পর্যায়ক্রমে দূর হবে।

তিনি নতুন প্রজন্মকে সুস্থ ও সুন্দর মানবিক গুণাবলীতে সমৃদ্ধ হতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ ধারণ করে বেশি বেশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে রাজশাহী নগরীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সাহিত্যিক দর্শনের ওপর আলোকপাত করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন,কবি নজরুলের কবিতা ও গান কেবল বিনোদন নয়,বরং তা মানুষের অধিকার আদায় ও পুনর্জাগরণের দীক্ষা দেয়। কবির শৈশবে রুটির দোকানে কাজ করার কঠিন বাস্তবতাই তাঁর মনে বিদ্রোহী মনোভাবের জন্ম দিয়েছিল।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবির স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ এবং দরিরামপুর হাই স্কুলের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, নজরুল সর্বদা সমাজের বৈষম্য,ধর্মীয় অসংগতি ও শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী চালিয়ে গেছেন। কবিকে তিনি,আমাদের কবি’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সাধারণ মানুষ যে কথা সাহসের সাথে বলতে পারেনি, নজরুল তা অত্যন্ত সাহসের সাথে উচ্চারণ করেছেন এবং এ কারণে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল।

এসময় তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাঁওতালসহ সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে নজরুল চর্চার মাধ্যমে একটি শিক্ষিত, অপরাধমুক্ত ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বক্তব্য শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষের এ কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবীর,রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার মোঃশামীম হোসেন,সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃহারুন-অর-রশীদ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃমশিউর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃশরিফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কালচারাল অফিসার মোঃফারুকুর রহমান ফয়সল। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।