খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মদ-চোরাচালানি পণ্য জব্দ

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মদ-চোরাচালানি পণ্য জব্দ

রাজশাহী সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার ভোরে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে চোরাচালানি মালামাল, মাদকদ্রব্য ও অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা জোরদার করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক ২টার দিকে চারঘাট বিওপির একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, চারঘাট থানার মুক্তারপুর এলাকার পদ্মা নদীর চর দিয়ে মাদকের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। খবর পেয়ে বিজিবির দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাদক কারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি বস্তা দেখতে পায় বিজিবি সদস্যরা। বস্তাটি খুলে এর ভেতর থেকে মালিকবিহীন ১০১ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চারঘাট থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

একই দিন রাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে বাঘা থানার গোকুলপুর এলাকায় অভিযান চালায় আলাইপুর বিওপির নিয়মিত টহল দল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা একটি আমবাগানে অবস্থান নিয়ে থাকেন। কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তিকে মাথায় বস্তা নিয়ে আমবাগানের দিকে আসতে দেখে তাকে আটকের জন্য ধাওয়া করা হয়। এ সময় ওই ব্যক্তি বস্তাটি ফেলে পালিয়ে যায়।

পরে বিজিবি সদস্যরা বস্তাটি তল্লাশি করে ৩৬ বোতল ভারতীয় মদ ও ৫ হাজার পিস ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ করেন। জব্দকৃত মদ বাঘা থানায় এবং ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এছাড়া ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে তালাইমারী বিওপির একটি আভিযানিক দল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মতিহার থানার জাহাজ ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে চোরাচালানি মালামাল বিক্রির উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।

তল্লাশির একপর্যায়ে মাটিতে লুকানো একটি ছোট ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতর থেকে মালিকবিহীন ১০ হাজার পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।