খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আশুলিয়ার জামগড়ায় একই কক্ষে নারী-পুরুষ ও নবজাতকসহ তিনজন মার্ডার

নাজমুল
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ার জামগড়ায় একই কক্ষে নারী-পুরুষ ও নবজাতকসহ তিনজন মার্ডার

ঢাকার আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারী, এক পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে দেড়টার দিকে হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, নিহত পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়ায় ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

স্থানীয়রা জানান, ওই কক্ষের দরজা-জানালা সবসময় বন্ধ থাকত। সেখানে স্বামী-স্ত্রী নতুন করে ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার কক্ষটি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালাবদ্ধ কক্ষটি খুলে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

খবর পেয়ে সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। এ সময় ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও আশুলিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

 

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনাস্থলের বাড়ির মালিক হাজী হজরত আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এড়িয়ে যান, ভাড়াটিয়া ফরম ও নিহত ভিকটিমদের পরিচয়পত্রসহ কোনো কাগজপত্র না নেয়ার কথা শিকার করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) তালেব জানান, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণসহ ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।