খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তালায় একই স্কুলের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ: শ্রেনীকক্ষে ফেরাতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ।

গোলাম রব্বানী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
তালায় একই স্কুলের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ: শ্রেনীকক্ষে ফেরাতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় একই বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর তৎপর হয়ে উঠেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাটি জানার পর অভিযুক্ত ছাত্রীদের অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের তলব করে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কিশোরী ছাত্রীদের সংসারে না পাঠিয়ে অবিলম্বে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে লেখাপড়া অব্যাহত রাখার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের সশরীরে উপস্থিত করা হয়। সেখানে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বাল্যবিবাহের বিষয়ে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্দেশ প্রদান করেন।
উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতিতে অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনোভাবেই এই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত করা যাবে না।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাস কুমার দাস
জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান
তালা থানার এসআই তৌহিদুজ্জামান
ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তালেব
তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক গোলাম রব্বানী, সাংবাদিক জহর হাসান সাগরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের তথ্য প্রশাসনের নজরে আসার পরপরই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১১ জন ছাত্রী ও তাদের অভিভাবককে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি ২ জনের নোটিশ প্রক্রিয়াধীন। নোটিশের প্রেক্ষিতে নির্ধারিত সময়ে ৮ জন ছাত্রীসহ মোট ১১ জনের অভিভাবক ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হলে তাদের বাল্যবিবাহের আইনি বিধিনিষেধ বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং মেয়েদের বিদ্যালয়ে ফেরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, “একই বিদ্যালয়ের এতজন ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। খবর পেয়েই অভিভাবকদের ডেকে নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকরা যাতে মেয়েদের সংসারে না পাঠিয়ে পড়ালেখা চালু রাখেন, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা না ঘটে এবং তারা যেন শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সর্বদা সজাগ থাকেন।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।