খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক যৌথ গবেষণা প্রকাশ টেকসই উন্নয়নে সবুজ কর ও ফিনটেকের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক যৌথ গবেষণা প্রকাশ  টেকসই উন্নয়নে সবুজ কর ও ফিনটেকের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের উদ্যোগে “Research Outcomes Dissemination and Stakeholder Engagement Session” অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নেতৃত্বে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক যৌথ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণাটির নেতৃত্ব দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডঃরেজাউল করিম। গবেষণায় যৌথভাবে কাজ করেছেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ), INTI International University (মালয়েশিয়া), Putra Business School, Universiti Putra Malaysia (মালয়েশিয়া), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের গবেষকরা।

গবেষণার শিরোনাম — “Unveiling the roles of green tax, financial development, banking development, fintech adoption, and economic growth on sustainable development in Bangladesh”। গবেষণাটি Elsevier প্রকাশিত Scopus-indexed Q1 জার্নাল World Development Sustainability-এ প্রকাশিত হয়েছে।

১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণায় দেখা গেছে, ফিনটেকের প্রসার আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল আর্থিক সেবা বাড়াতে এবং সবুজ অর্থায়নের নতুন সুযোগ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখছে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও দায়িত্বশীল বিনিয়োগের সঙ্গে সমন্বয় করা জরুরি।

গবেষণায় সুপারিশ করা হয়েছে — ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে ESG ভিত্তিক কার্যক্রম, সবুজ ঋণ ও টেকসই অর্থায়ন নীতি জোরদার করা, কার্যকর সবুজ কর নীতি প্রণয়ন এবং ফিনটেক ব্যবহার করে গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা একাডেমিক গণ্ডি পেরিয়ে শিল্প, সরকার ও সমাজের সঙ্গে যুক্ত হলে তা বাস্তব উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডঃকানিজ হাবিবা আফরিন। উপস্থিত ছিলেন কো-অর্ডিনেটর ডঃরেজাউল করিম, সহযোগী অধ্যাপক আতিয়া আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক সিরাজুম মনির প্রতীকসহ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক এ. কে. এম. আমিরুল ইসলাম, গ্রামীণফোন রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান (মার্কেটিং) নাদিম শাহরিয়ার, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার তন্বী রানী দত্ত, সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ সোহরাব আহমেদ, সিনিয়র অফিসার সাহেদুল বাসার ও মৌগাছী শাখার ম্যানেজার মোঃমিজানুর রহমান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।